পোস্ট করার নিয়ম

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ বন্ধুরা এবং সালাম জানাই আমার গুরুদের ।কেমন আছেন আপনারা সবাই ?আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে আপনারা সবাই ভালো আছেন এবং আমি দোয়া করি সবাই ভালো থাকুন আর ভালো রাখুন আপনার পিতা-মাতা এবং আপনার আশে-পাশের সকলকে ।

আরো সহজ ভাবে পোস্ট লেখার নিয়ম দেখতে পারেন এখান থেকে –  পোস্ট করার নিয়ম (বিশেষ করে নতুনদের জন্য) 

এখন আমি আপনাদের দেখাব  ইসলামিক এমবিট সাইটে পোস্ট করার নিয়ম

প্রথমে নীতিমালা পড়ে নিন। তারপর সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করে একটি আইডি খুলে নিন। এখন Dashboard এ প্রবেশ করুন এখানে

এটা হচ্ছে Dashboard

Enter title here–এখানে আপনার পোস্টের টাইটেল লিখুন। মনে রাখবেন পাঠক যেন টাইটেল দেখেই বুঝতে পারে আপনার পোস্টের বিষয়।

। টাইটেল যত ছোট হয় ততই ভালো।

Upload/Insert

এটা দিয়ে আপনি image আপলোড করতে পারবেন। উপরে ড্যাসবোর্ড এর image টি দেখুন। image আপলোড করতে প্যথমে Upload/Insert এ ক্লিক করুন। একটি নতুন পেজ আসবে Select Files এ ক্লিক করে আপনার কাংখিত image সিলেক্ট করুন। একটু নিচে দেখুন Insert into post আছে ক্লিক করুন দেখুন image আপলোড হয়ে গেছে। মনে রাখবেন আপনি যে স্থানে সিলেক্ট করবেন সেখানে ই image যুক্ত হবে।

এখন চলুন টুলবার গুলোর সাথে ভালো ভাবে পরিচিত হয়ে নেই।

এটা হচ্ছে টুলবার

BOLD

B দিয়ে আপনি লেখা বোল্ড করতে পারবেন । বোল্ড লেখা গাড় এবং পুরু করার জন্য ব্যবহৃত হয় । আপনি কীবোর্ড এর Ctrl+B চাপ দিয়ে লেখা বোল্ড করতে পারবেন । দেখুন আমি আমার লেখাগুলো বোল্ড করে লিখছি ।

Italic 

ইটালিক হচ্ছে লেখা একটি নির্দিষ্ট স্টাইল । আপনি উপরের  I ব্যবহার করে একটি সাধারন লেখাকে ইটালিক লেখায় রূপান্তর করতে পারবেন । এছাড়া আপনি কীবোর্ডের Ctrl+I দিয়েও একটি সাধারন লেখাকে ইটালিক লেখায় রূপান্তর করতে পারবেন । দেখুন আমি ইটালিক স্টাইল ব্যবহার করে লিখছি।

Strikethrough

অবচ্ছেদন হচ্ছে আপনি যে লেখাটি লিখবেন সেই লেখাটি যদি কোন রুপ ভুল হয় তাহলে তাহা ডিলেট না করে তাহার মাঝ বরাবর একটি আচ্ছাদন দেয়া ।আপনি উপরের ABC ব্যবহার করে একটি সাধারন লেখাকে অবচ্ছেদন লেখায় রূপান্তিরত করতে পারবেন । এছাড়া আপনি কীবোর্ডের Alt+Shift+D  ব্যবহার করেও একটি সাধারন লেখাকে ইটালিক লেখাকে অবচ্ছেদন লেখায় রূপান্তর করতে পারবেন ।দেখুন আমি এখানে অবচ্ছেদন স্টাইল ব্যবহার করেছি ।

Unordered list

  • আমার লেখাটির আগে যে একটি ডট ব্যবহার করা হয়েছে তাকে বুলেট বলা হয়।
  • এছাড়া আপনি কীবোর্ডের Alt+shift+U দিয়েও একটি সাধারন লেখার প্রথমে আপনি বুলেট ব্যবহার করতে পারবেন । দেখুন আমি বুলেট ব্যবহার করে লিখছি।

Ordered list

  1. আমার লেখাটির আগে যে একটি “1″ ব্যবহার করা হয়েছে তাকে সিরিয়াল বলা হয়।
    • এছাড়া আপনি কীবোর্ডের Alt+shift+O দিয়েও একটি সাধারন লেখার প্রথমে আপনি সিরিয়াল ব্যবহার করতে পারবেন । দেখুন আমি সিরিয়াল ব্যবহার করে লিখছি।

Blockquote

 আমার লেখাটির আগে আমি কোটেশন ব্যবহার করেছি তাই লেখাটি সাইড লাইন থেকে একটু দূরে অবস্থান করছে। এছাড়া আপনি কীবোর্ডের Alt+shift+Q দিয়েও একটি সাধারন লেখার প্রথমে আপনি কোটেশন ব্যবহার করতে পারবেন।

align lift/right/ center

এটির সম্পর্কে আপনাদের সকলের কম বেশি ধারনা আছে । এটি দ্বারা আপনি আপনার লেখাটি নিদিষ্ট একটি সারিতে স্থাপন করতে পারবেন ।এর জন্য আপনাকে প্রথমে আপনার লেখাটি সিলেক্ট করতে হবে । অতপর আপনি যদি আপনার লেখাটি LEFT নিতে চান তাহলে আপনি Align left এ ক্লিক করুন কিংবা Alt+Shift+L চাপুন । যদি রাইটে নিতে চান তাহলে Align right এ ক্লিক করুন কিংবা Alt+Shift+R চাপুন ।যদি আপনার লেখাটি সেন্টারে রাখতে চান তাহলে Align center এ ক্লিক করুন কিংবা Alt+Shift+C চাপুন তাহলেই দেখবেন যে আপনার লেখাটি আপনার ইচ্ছা মত তার স্থান পরিবর্তন করছে ।

Insert/Edit link

এটি নামেই নিশ্চয়ই বুজতে পারছেন যে এটির কাজ কি ? এটি দ্বারা আপনি বিভিন্ন প্রকার লিংক যুক্ত করতে পারবেন ।প্রথমে আপনি যে ইমেজ কিংবা লেখা লিংক হিসেবে ব্যবহার করতে চান প্রথমে আপনি সেই ইমেজ কিংবা লেখা সিলেক্ট করুন ।এই বার আপনি Insert/Edit link এ  ক্লিক করুন কিংবা Alt+shift+A  চাপুন ।এখন আপনি দেখবেন যে একটি পেজর আগমন ঘটবে। আপনি তখন url এ আপনার লিংক টি বসাবেন। মনে রাখবেন যে ঐ খানে একটি http:// থাকবে আপনার ওইটি রিমুভ করতে হবে না । আপনি ঐটার উপরেই লিংক বসাবেন এবং add link বাটনে ক্লিক করবেন । তাহলেই আপনার লিংক সিলেক্ট হবে ।

Unlink

এটি নামেই নিশ্চয় বুজতে পারছেন যে এটির কাজ কি ? এটি দ্বারা আপনি বিভিন্ন প্রকার লিংক যুক্ত কৃত লিংক বাদ দিতে পারবেন । ।প্রথমে আপনি যে যে লিংকটি বাদ দিতে যান সেই লিংকটি সিলেক্ট করুন ।এই বার আপনি উপরে Unlink ক্লিক করুন কিংবা Alt+shift+S চাপুন ।এই বার দেখুন আপনার লিংকটি কাজ করছে না ।

Insert More Tag

এটি নাম শুনে ধারনা করতে পারছেন না যে টি কি কাজে ব্যবহার হয় । দাঁড়ান আমি বলে দিচ্ছি এটির দ্বারা আপনি আপনার লেখাটি একটি রুলের মধ্যে নিয়ে আসতে পারবেন । এটি ব্যবহার করতে হলে আপনাকে প্রথমে উপরের Insert More Tag ক্লিক করুন কিংবা Alt+shift+T চাপুন । তাহলেই আপনি অতি সহজেই রুলের দেখা পেয়ে যাবেন ।

 Toggle Spellchecker

নামের মাধ্যমে নিশ্চয় বুজতে পারছেন যে এটির কাজ কি ? হ্যা ঠিকই ধরেছেন এটি আপনার লেখা ইংরেজি বানানটি সঠিক কিনা তাহা বলে দিবে । এটি কিভাবে ব্যবহার করবেন ? এটি ব্যবহার করা অন্তত্য সহজ উপরে Toggle Spellchecker এ ক্লিক করুন কিংবা Alt+shift+N চাপুন। তাহলে দেখবেন একটি ভাষার লিস্ট নেমে আসছে । এই বার ঠিক করুন আপনার কোন বানানটি চেক করবেন তাহলেই হল ।

Toggle fullscreen mode

এটি নামেই নিশ্চয় বুজতে পারছেন যে এটির কাজ কি । এটি দ্বারা আপনি আপনার স্ক্রিন এর পরিবর্তন করে পূর্ণ স্ক্রিনে রূপান্তর করতে পারবেন। এটির জন্য আপনাকে উপরে Toggle fullscreen mode ক্লিক করতে হবে অথবা আপনি Alt +Shift+G দিয়েও করতে পারেন ।

Exit fullscreen

আপনি যদি Toggle fullscreen mode এ ক্লিক করে পূর্ণ স্ক্রিনে রূপান্তর করেন। তাহলে আপনাকে Exit fullscreen  এ ক্লিক করলেই হবে ।

show/hide kitchen sink

এটি নাম শুনেই নিশ্চয় ধারনা করতে পারছেন এটির কাজ কি ? এটির দ্বারা আপনি আপনার টুলবারটি Hide করতে পারবেন ।এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপনার Hide করা টুলবারটি কিভাবে ব্যাক আনবেন? এটি অন্তত্য সহজ একটি কাজ আপনি যে বাঁটন দ্বারা আপনার টুলবার টি Hide করেছেন সেটির মধ্যে ক্লিক করুন তাহলেই আপনার টুলবার টি আবার ফিরে আসবে ।

Heading

এটি দ্বারা আপনি আপনার লেখার স্টাইল নির্ধারণ করবেন ।

Heading এর আরো ছয়টি স্টাইল পাবেন । নিচে দেখুন

Preformatted- এটি আপনার লেখাটি কম্পিউটার কোর্ডের মত করে প্রদর্শন করবে । এটি সাইজ প্যারাগ্রাফ থেকে সাইজে ছোট হবে ।

Paragraph- এটির সাথে আমরা সকলেই পরিচিত কারন এই স্টাইল ব্যবহার করে আমরা লিখে থাকি ।

Underline

নামের মাধ্যমে নিশ্চয় বুজতে পারছেন যে এটির কাজ কি ? হ্যা ঠিকই ধরেছেন এটি লেখা সমূহের নিচে Underline দেয়ার জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে। এটি কিভাবে ব্যবহার করবেন এটি তো প্রশ্ন? এটি ব্যবহার করা অত্যন্ত সহজ এটি ব্যবহার করতে হলে প্রথমে আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে আপনি যে লেখাটির নিচে Underline বসাতে চান সেই লেখাটি ।তারপর উপরে U ক্লিক করুন তাহলে দেখবেন আপনার সিলেক্ট করা লেখাটির নিচে Underline বসে গিয়েছে ।

Align Full

এটির নাম শুনেই নিশ্চয় ধারনা করতে পারছেন এটির কাজ কি ? এটির দ্বারা আপনি আপনার সম্পূর্ণ লেখাকে সারিবদ্ধ করতে পারবেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আপনি এটি কি ভাবে ব্যবহার করবেন? এটি ব্যবহার করতে হলে আপনাকে প্রথমে আপনি যে লেখা গুলো সারিবদ্ধ করবেন সেই লেখা গুলো সিলেক্ট করুন । অতপর দেখুন উপরে Align Full এ  ক্লিক করুন কিংবা Alt+shift+J চাপুন। তাহলেই আপনার সিলেক্ট করা লেখা গুলো সম্পূর্ণ সারিবদ্ধ অবস্থায় অবস্থান করবে ।

 Select text color

এটির সাথে আপনারা সকলেই পরিচিত ।কারন এটি ব্যবহার করা হয় কি কাজে সেটি সম্পর্কে আপনাদের সকলের ধারনা আছে । তাও আমি বলে দিচ্ছি এটি দ্বারা আপনি আপনার লেখা গুলো বিভিন্ন রঙে সাজিয়ে তুলতে পারবেন । এই বার প্রশ্ন হচ্ছে আপনি এটি কিভাবে ব্যবহার করবেন ?প্রথমে আপনি যে লেখা গুলো রঙ দ্বারা সাজাবেন সেই লেখা গুলো সিলেক্ট করুন ।অতপর আপনি উপরে A চিহ্নিত স্থানে ক্লিক করুন দেখুন আপনি বেশ কিছু রঙের ঘর দেখতে পাবেন সেখান থাকে যে কোন একটি রঙ সিলেক্ট করুন। কি ! এই রঙ গুলোয় আপনার হচ্ছে না তাহলে আপনি এক কাজ করুন দেখুন ঐ রঙের বক্স গুলোর নিচে MORE COLOR লেখা আছে । এই বার ঐ লেখাটির মাঝে ক্লিক করুন দেখুন শত শত কালার আপনি উপহার পাবেন আপনি ! যে কোন একটি সিলেক্ট করুন দেখুন আপনার লেখাগুলো ঐ রঙে সজ্জিত হয়ে গিয়েছে ।

Paste as plain text

এটি নামেই নিশ্চয় বুজতে পারছেন যে এটির কাজ কি ? এটি দিয়ে আপনি আপনার লেখাটি কোন প্রকার জটিলতা মানে স্টাইল ছাড়া লিখতে পারবেন ।আপনি প্রথমে সেই T তে ক্লিক করুন এবং দেখুন অন্য একটি বড় আকারের ঘর দেখা যাচ্ছে আপনি এই বার আপনার লেখা শুরু করুন এবং ইনসার্ট এ ক্লিক করুন তাহলেই দেখবেন আপনার লেখাগুলো পেজে দেখা যাচ্ছে ।

Paste from Word

এটি নামেই নিশ্চয় বুজতে পারছেন যে এটির কাজ কি ? এটি দিয়ে আপনি আপনার লেখাটি কোন প্রকারওয়ার্ড স্টাইলে লিখতে পারবেন। আপনি প্রথমে সেই W তে ক্লিক করুন এবং দেখুন অন্য একটি বড় আকারের ঘর দেখা যাচ্ছে আপনি এই বার আপনার লেখা শুরু করুন এবং ইনসার্ট এ ক্লিক করুন তাহলেই দেখবেন আপনার লেখাগুলো পেজে দেখা যাচ্ছে ।

Remove formatting

এটি  ও নামেই নিশ্চয় বুজতে পারছেন যে এটির কাজ কি ? এটি দিয়ে আপনি আপনার লেখাটির বিন্যাস অপসারণ করতে পারবেন । হ্যা কিভাবে করবেন এটিই তো প্রশ্ন ! আপনি আপনার লেখা কালার করেছেন কিন্তু আপনি কিছু সময় চাচ্ছেন যে আপনার লেখাটির কালার রিমুভ করতে তাহলে আপনি আপনার ঐ লেখাটি সিলেক্ট করুন । অতপর আপনি Remove formatting এ ক্লিক করুন এবং দেখুন আপনার লেখাটি এখন আর কালার দেখা যাচ্ছে না ।

Select custom character

আমার মনে হয় আপনারা সহজেই কেউ এটির ব্যবহার করেন না ।সমস্যা নাই আজ থেকে করবেন । আসুন জানি কিভাবে ব্যবহার করতে হয় । এটি দিয়ে আপনি আপনার লেখাটিতে স্টাইল যুক্ত করতে পারবেন । এটির জন্য আপনাকে উপরের চিত্রটি খেয়াল করতে হবে ।আপনি প্রথমেই (Ω) তে ক্লিক করুন এবং দেখুন একটু একটি অন্য একটি বড় আকারের ঘর দেখা যাচ্ছে আপনি এই বার আপনি আপনার আপনার স্টাইল নির্বাচন করুন ।অতপর ইনসার্ট টিতে ক্লিক করুন তাহলেই কাজ শেষ।

Outdent/Indent

আমার মনে হয় আপনারা সহজেই কেউ এটির ব্যবহার করেন না ।সমস্যা নাই আজ থেকে করবেন । আসুন জানি কিভাবে ব্যবহার করতে হয় ।এটির লেখা সামনে পিছনে নিতে ব্যবহার হয় ।এটি ব্যবহার করতে হলে আপনাকে প্রথমে আপনার লেখাটি সিলেক্ট করতে হবে ।অতপর আপনি Indent এ ক্লিক করে দেখুন আপনার লেখাটি আগের স্থান থেকে একটু দূরে অবস্থান করছে । এভাবে আপনি আপনার লেখাটি আপনার পছন্দসই স্থানে ফিট করতে পারবেন ।কিন্তু প্রশ্ন হল আপনি  লেখাটি কিভাবে পিছাবেন? এটিও অত্যন্ত সহজ আপনি আপনার লেখাটি সিলেক্ট করে Outdent এ ক্লিক করুন তাহলেই দেখবেন আপনার লেখাটি সামনের থেকে পিছনে ফিরে আসছে ।

undo/redo

এটির নামে নিশ্চয় ধারনা করতে পারছেন যে এটির কাজ কি ?আসুন জানি কিভাবে ব্যবহার করতে হয় ।এটির Undo ব্যবহার করে আপনি আপনার লেখার আগের অবস্থায় ফিরে জেতে পারবেন । আবার Redo ব্যবহার করে আপনি আপনার লেখার নতুন অবস্থায় ফিরে আসতে পারবেন। এটি ব্যবহার করতে হলে প্রথমে আপনার লেখাটি সিলেক্ট করতে হবে । অতপর আপনি ঠিক করবেন যে আপনি আপনার লেখার কোন অবস্থায় যাবেন ।দেখুন উপরের চিত্রে Undoএবং redo চিহ্নিত করে দেয়া হয়েছে ।

Help

এটার কথা নিশ্চই বলতে হবে না।

টুলবার এর পরিচিতি শেষ ।

আপনার টুলবারের কাজ শেষ হলে এখন আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে Categories

এটি হচ্ছে Categories

Categories

ক্যাটাগরি আপনাদের টিউন করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ .কারন আপনি যদি সঠিক ক্যাটাগরি নির্বাচন না করেন তবে আপনার লেখাটি প্রথম পেজে দেখা যাবে না । আপনি যে বিষয়ের উপর লেখবেন আপনি সেই ক্যাটাগরি নির্বাচন করবেন ।

এটি হচ্ছে Tags

Tags

ট্যাগ নির্বাচন একটি অন্তত্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ । ট্যাগ নির্বাচন করার কারন হচ্ছে আপনি একটি লেখা লিখার পর যদি আপনি ঐলেখাটি ট্যাগ না করেন তবে ঐ লেখাটি সার্চ দিয়ে পেতে কষ্টকর হবে । আর আপনি যদি সঠিক ভাবে ট্যাগ করেন তাহলে সার্চ দেয়ার সাথে সাথে আপনার লেখাটি পাওয়া যাবে । ট্যাগ নির্বাচন করবেন কিভাবে ? আপনি যে বিষয়টির উপর লেখবেন আপনি ঐ বিষয়টির উপর ৩টি ট্যাগ করবেন ।

Featured Image

ফিচার ইমেজ যুক্ত করতে (Set featured image) এ ক্লিক করুন । দেখবেন একটি নতুন পেজ এসেছে ।Select Files এ ক্লিক করে আপনি আপনার কাংখিত image টি সিলেক্ট করুন। একটু নিচে দেখুন Set featured image আছে সেখানে ক্লিক করুন। দেখবেন আপনার Featured Image যুক্ত হয়ে গেছে।

এটা হচ্ছে Publish

Publish

এটির কাজ আমরা সকলেই জানি কিন্তু তবুও আজ আমি আপনাদের সাথে এটি নিয়ে একটু কিছু বলবো । এটির বিভাগ আছে ৬ টি । যথাঃ

  • Save Draft : সাধারণত দেখা যায় যে আমরা একটি টিউন এক বারে সমাপ্ত করতে পারি না । তখন এটি আমাদের অনেক কাজে দেয় ।তখন যদি এটি দ্বারা সেভ করা হয় তাহলে আপনার লেখাটি যেভাবে রেখেছিলেন পরবর্তীতে সে রকমই পাবেন একটুও পরিবর্তন হবে না । আর যদি সেভ ড্রাফট দ্বারা সেভ রাখা না হয় তবে আপনি আপনার আগের লিখে রাখা লেখাটি সম্পূর্ণ আগের অবস্থায় ফিরত পাবেন না দেখবেন কিছু লেখা হাওয়া হয়ে গেছে ।
  • Preview:আপনারা সাধারণত লেখাটি লেখার পর কেমন হয়েছে দেখতে চান । তখন আপনাদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসে Preview . প্রিভিউ দ্বারা আপনি আপনার লেখাটি ব্লগে কেমন আসছে তা দেখতে পারবেন ।
  • status: এটির মানে কি আপনি আমি আমরা সকলেই হয়ত জানি .খসড়ার পাশে সম্পাদনায় ক্লিক করলে দেখবেন খসড়ার ঐ খানে থেকে একটি পেজ বের হয়ে আসেছে । সেখানে লেখা আছে দুটি ওয়ার্ড একটি হচ্ছে 1) Draft 2) pending review
আমি আপনাদের জানাব pending review সম্পর্কে !আপনি যদি pending review দিয়ে রাখেন তাহলে আপনার লেখাটি প্রকাশ হবে না। তাই আপনার লেখাটি প্রকাশ করতে হলে Draft দিয়ে লেখতে হবে ।
  • Visibility:এই কথাটির অর্থ হচ্ছে অবলোকন । অর্থ শুনেই নিশ্চয়ই বুজতে পারছেন যে এটির কাজ কি ? আসুন তাহলে আপনাকে দেখিয়ে দেই এটির কাজ কি ? আপনি প্রথমেই Visibility ক্লিক করুন দেখবেন আরো তিনটি ঘর বেরিয়ে আসবে আপনার সামনে তার 1)  আপনি যদি  দিয়ে রাখেন তাহলে আপনার লেখাটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। 2)Password protected : পাসওয়ার্ড এর কাজ কি আমরা সকলেই জানি ! হ্যা ঠিকই ধরেছেন এটি দিয়ে রাখলে আপনার দেয়া পাসওয়ার্ড ছাড়া এটি কেউ দেখতে পারবেন না । 3)  এই ঘরটিতে ক্লিক করে শুধু মাত্র আপনি আপনার ব্যক্তিগত ফাইল রাখবেন ।
  • Publish :এটির মাঝে থাকে আপনার পোস্টের রেকর্ড সমূহ । আপনি কখন কবে আপনি আপনার পোস্টটি প্রকাশ করেছেন সেই রেকর্ড ।
  • move to trast : এটি দ্বারা আপনি আপনার অপ্রয়োজনীয় লেখা সমূহ আবর্জনা হিসেবে বাদ দিতে পারবেন।
  • pubilish: এটি দ্বারা আপনি আপনার লেখাটি প্রকাশ করবেন ।

আশা করি এখন আর পোষ্ট লিখতে আপনাদের কোন সমস্যা হবে না। তবে মনে রাখবেন একটি পোষ্টে যেন কমপক্ষে ২৫০ টি word লিখা হয়।

[বিঃ দ্রঃ এখানে আমার কোন ভূল হলে আমাকে মন্তব্য করে জানাবেন প্লিজ]