আল্লাহর অস্তিত্ব

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

আসসালামু আলাইকুম,এই গ্রুপে প্রথম পোস্ট মহামহিয়ান, গরিয়ান,সর্ব শক্তিমান আল্লাহ তায়ালার অস্তিত্ব নিয়ে।বড় হলেও লেখাটা অনেক তাৎপর্যপুর্ণ।সবাইকে মন দিয়ে পড়ার জন্য অনুরোধ করছি।

এখন বিজ্ঞানের যুগ। আমরা সবাই বিজ্ঞানের যুক্তি দিয়ে সবকিছু বোঝার বা বোঝানোর চেষ্টা করি। বিজ্ঞানের অবদান আমরা কখনো অস্বীকার করতে পারবো না। কেননা বর্তমানের সবকিছুই বিজ্ঞানের অবদান। এখন আমি যেটা নিয়ে আলোচনা করবো তা হলো আল্লাহর/সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নিয়ে ।

নাস্তিক সম্পর্কে কিছু কথা: যারা আল্লাহকে বিশ্বাস করে না তাদের আমরা নাস্তিক বলে থাকি । এরা খুবই যুক্তিবাদি আর বাস্তববাদী হয়ে থাকে । এরা নিজেদের অনেক জ্ঞানী মনে করে । এরা সাধারণত উচ্চ শিক্ষিত হয়ে থাকে। এরা অনেক মডার্ন চলাফেরা করে এবং বিজ্ঞান সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখে । তবে আমাদের দেশে বাংলা ব্লগ/ওয়েবসাইটে অনেক নাস্তিক পাওয়া যায় যারা মোটেও যুক্তিবাদি না । এরা ধর্ম নিয়ে কথা শুনলে খুব সুন্দর করে উপহাস করতে পারে । এরা জ্ঞানীও নয় উচ্চ শিক্ষিত ও নয় আর বিজ্ঞান সম্পর্কে কতটুকু জ্ঞান রাখে সেটা নাই বললাম । এরা বড় বড় নাস্তিকদের (লেখক/বিজ্ঞানি) অনুসরন করে।

শুরু করার আগে একটা কথা বলে রাখা ভালো আপনারা জানেন যে বিজ্ঞান পরিবর্তনশীল । বিজ্ঞান আজ যা বলে কাল সেটা ভুল ও প্রমাণিত হতে পারে । যেমন: কুর্‌আনে বলা হয়েছে যে সূর্য ঘূর্ণায়মান কিন্তু বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছিল যে পৃথিবী ঘূর্ণায়মান সূর্য স্থির । তখন তারা কুর্‌আনকে নানা ভাবে অবমাননা করে । কিন্তু এখন বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছে যে মহাবিশ্বের কোন কিছুই স্থির না এমনকি সূর্য কাউকে না কাউকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। তবে কষ্টের কথা এটাই যে এই পরিবর্তনশীল বিজ্ঞানের তত্ত্ব দিয়েই সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের পক্ষে যুক্তি দিতে হয় । কারণ কুর্‌আন যেটা বলে আমরা সেটা বিশ্বাস করি না কিন্তু বিজ্ঞান বললে সেটা চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করি । আমি আমার কথা গুলো ধারাবাহিক পোষ্টের মাধ্যমে লিখব, আজকে পদার্থ বিজ্ঞানে আলোকে লিখছি ।

পর্দাথ বিজ্ঞান সৃষ্টিকর্তা: যারা আল্লাহ বিশ্বাস করে না তাদেরকে যদি প্রশ্ন করা হয় যে পৃথিবী কিভাবে সৃষ্টি হল ? তারা বলবে এমনি এমনি। কিন্তু তারা জানে না যে তাদের এই উত্তর তাদের বিজ্ঞানের সূত্রকে অস্বীকার করে। আমি physics নিয়ে পড়ালেখা করছি তাই আমার মনে হয় এই ব্যাপার এ আমি কিছুটা হলেও জানি। বস্তুত শুন্য থেকে কিছু সৃষ্টি হতে পারে না, পদার্থ ও শক্তির সৃষ্টি বা ধ্বংস নেই শুধু রূপান্তর করা যায়। যেহেতু মহাবিশ্বের আদি থেকে এখন পর্যন্ত পদার্থ ও শক্তির পরিমাণের কোন পরিবর্তন হয় নি সেহেতু এরা নির্দিষ্ট এবং এদের সৃষ্টিকর্তা আছে, কারণ কোন পদার্থ এমনি এমনি সৃষ্টি হতে পারে না। কিন্তু বিজ্ঞান সবকিছুর ব্যাখ্যা দিতে চায়। এখন তারা নতুন একটা থিওরী দিল সেটা হল এন্টিম্যাটার। পদার্থ কে আমরা ম্যাটার বলি আর এন্টিম্যাটার হল তার বিপরীত ধর্মী একটা জিনিস। পদার্থের যেমন আঁকার আয়তন ওজন আছে এন্টিম্যাটার এর সেই রকম কিছুই নাই, এরা পরস্পর বিপরীত ধর্মি এবং এরা ম্যাটার অর্থাত্‍ পদার্থকে গ্রাস করে। যদি ম্যাটার আর এন্টিম্যাটার এক হয় তবে ম্যাটার বা পদার্থটি সম্পূর্ণ অদৃশ্য বা ধ্বংস হয়ে যাবে, যেটা physics এর সূত্রকেও অস্বীকার করে। তাদের মতে ম্যাটার+এন্টিম্যাটার=০ মানে সৃষ্টিকর্তার দরকার নাই। কী আজব থিওরী! বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত এন্টিম্যাটার কোথায় খুঁজে পাইনি, পৃথিবীতেও না আর পৃথিবীর বাইরেও না। এই সকল অনেক ব্যাপার আছে যেগুলো নিয়ে বিজ্ঞানীরা নিজেরাই সহমত না আর আমরা ওগুলো বিশ্বাস করে আমরা নিজেদের ঠকাই। বিজ্ঞানের একটা থিওরী অন্যটির সাথে সাংর্ঘসিক এবং এগুলো প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে বা ভুল প্রমাণিত হচ্ছে। কুর্‌আন এমন একটি গ্রন্থ যার কোথাও আজ পর্যন্ত কেও ভুল ধরতে পারেনি এর কোন কথা কোনটার সাথে সাংর্ঘসিক না। বড় বড় জ্ঞানি ব্যাক্তিরা কুর্‌আনের ভুল ধরতে গিয়ে এর ভক্ত হয় গেছে আর আমি আপনি কি জানি ? কোন সাহসে আমারা একে উপহাস করি ? নিজের সীমাবদ্ধ জ্ঞান নিয়ে তর্ক করা ঠিক না। আমার কথা আপনার বিশ্বাস করার দরকার নেই। আপনি নিজে জানার চেষ্টা করুন আর সঠিক জিনিস জানুন আল্লাহ আপনাকে সাহায্য করবেন। চলবে……..,পৃথিবী সৃষ্টি নিয়ে বিজ্ঞানীরা যে যুক্তি বা প্রমাণ দিয়েছে তা যদি মেনে নেই তবে আরও একাটা প্রশ্নের সৃষ্টি হয় আর তা হলো পৃথিবীতে জীব সৃষ্টি হলো কীভাবে? আর তাই জীবের উত্‍পত্তির রহস্য বর্ণনা করতে বিজ্ঞানীরা একটি তত্ত্ব দিয়েছেন যাকে The theory of evolution বা বিবর্তনবাদ তত্ত্ব বলে। আমরা এখানে জানব বিবর্তন কি, বিবর্তনের গ্রহণযোগ্যতা, বিবর্তনের সাথে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের সম্পর্ক।

 

বিবর্তন কি: পৃথিবীর সৃষ্টির আদিলগ্ন থেকে এটি উত্তপ্ত ও গ্যাসীয় অবস্থায় ছিল। কালক্রমে তা শীতল ও ঘনীভূত হয়ে আজকের এই কঠিন পৃথিবীতে রূপ নেয়। বিজ্ঞানীদের মতে সেই সময় পৃথিবীতে অনেক মৌল ছিল যেমন হাইড্রোজেন, হিলিয়াম, অ্যমনিয়াম, সায়ানাইড ইত্যাদি। তাদের মতে একটি প্রান সৃষ্টি হতে এই মৌল গুলোই যথেষ্ট এবং এভাবেই পৃথিবীতে প্রথম জীবটির জন্ম হয়। সেই জীবটি ব্যাকটেরিয়া সদৃশ ছিল। ধীরে ধীরে সেই ব্যাকটেরিয়া প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম পরিবর্তন এবং রূপান্তরের মাধ্যমে আজ লক্ষ লক্ষ প্রজাটির সৃষ্টি করেছে। বিজ্ঞানীদের মতে সব প্রাণীর অভিযোজন ক্ষমতা আছে অর্থাত্‍ পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানোর ক্ষমতা আছে। তাদের মতে পরিবেশের বৈশিষ্টের উপর ভিত্তি করে একটি প্রাণীর আচার, আচরণ, খাদ্যের অভ্যাস এবং, দেহের আকার আকৃতির পরিবর্তন হয়। এই পরিবর্তনটা এতটাই প্রভাবশীল যে মাঝে মাঝে এই পরিবর্তনের ফলে নতুন প্রজাতির উত্‍পত্তি হয় যেমন: বানর থেকে মানুষ। প্রাণীর উত্‍পত্তি ও রূপান্তর নিয়ে সৃষ্ট এই তত্ত্বকে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব বলে। এর প্রতিষ্ঠাতা ডারউইন। বিবর্তনবাদের ভিত্তি হল ফসিল (প্রাচীন মৃত্‌ প্রাণীর হাড়-গোর) এবং ভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর একই বৈশিষ্ট্য সমূহের যুক্তি।

 

বিবর্তনের গ্রহণযোগ্যতা বা অসংগতি নিয়ে আলোচনা করার আগে একটা কথা বলে রাখা ভাল। আপনি যদি নাস্তিক হন তবে আপনাকে বিবর্তন ১০০% মেনে নিতে হবে কেননা অন্য কোন তত্তের মাধ্যমে আপনি জীব সৃষ্টির রহস্য বর্ণনা করতে পারবেন না। আমি বিবর্তন নিয়ে যতই পড়েছি আমার কাছে ততই এটা হাস্যকর মনে হয়েছে। আমি এর প্রতিটি কথায় অসংগতি খুঁজে পায়। আর একটা কথা, আগের টিউনটা আমি পদার্থ বিজ্ঞানের আলোকে করেছিলেম এবং পদার্থ বিজ্ঞানের প্রাথমিক সূত্রগুলো প্রতিষ্ঠিত কিন্তু বিবর্তন কোন প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞানের সূত্র বা প্রমাণ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত নয়।

 

বিবর্তনের অসংগতি:

১. বিবর্তনবাদের মতে ডিম পারা প্রানি থেকে বাচ্চা দেয়া প্রানি বিবর্তিত হয়েছ। তার মানে যে প্রানিটা আগে ডিম দিত টা এখন বাচ্চা দেয়। বিবর্তন খুবই ধীর গতির প্রক্রিয়া, আজ যে ডিম দেয় কালকে সে বাচ্চা দিবে এটা সম্ভব না। অর্থাং এরা খুব ধীর গতিতে রূপান্তরিত হয়েছে। তাহলে রূপান্তরের মধ্যবর্তি সময়ে প্রানিটা কি করত? ডিম দিত না বাচ্চা দিত? নাকি দুইটাই করত (এটা সম্ভব নয়)? নাকি কিছুই দিতনা (ওটাও সম্ভব নয়, প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে যাবে) । স্তন্যপায়ি প্রাণীর নিজস্ব বৈশিষ্ট থাকে যেমন স্তন গ্রন্থি। যদি ডিম পারা থেকে বাচ্চা দেয়া বিবর্তিত হয় তবে দৈহিক বৈশিষ্টের পরিবর্তন হবে কেন? প্রাণীটি চাইলে পূর্বের নিয়মে বাচ্চাকে খাওয়াতে পারে। এখানে এটাই বলা যায় যে ডিম পারা প্রানি থেকে বাচ্চা দেয়া প্রাণীর বিবর্তন সম্ভব নয়।

 

২. বিবর্তনের মতে মাছ থেকে উভচর এবং সরীসৃপ সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু পানি ছাড়া কোন মাছ বেশিক্ষন বাঁচতে পারে না। তবে সেই মাছ কিভাবে ডাঙ্গায় এলো আর উভচরে পরিণত হলো?

 

৩. বিবর্তনবাদির কাছে আমার প্রশ্ন, পুরুষ থেকে নারী বিবর্তিত নাকি নারী থেকে পুরুষ? এরা আলাদা আলাদা বিবর্তিত হতে পারবে না, কেননা বিবর্তনের মতে তারা আলাদা প্রজাতিতে পরিণত হবে। যদি তারা একে ওপর থেকে বিবর্তিত হয় তবে নারী পুরুষের মিলনের ফলে নতুন জীব কিভাবে জন্মায়? এটা যুক্তিযুক্ত নয়।

 

৪. মনে করুন সর্বপ্রথম জীবটি যদি পুরুষ হয় তবে তার স্ত্রী সঙ্গীটি কোথায় পেল। তার মানে পুরুষ থেকে স্ত্রী বিবর্তিত (সম্ভব নয় ৩ নং মতে)। নাহলে বলতে হবে একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন লিংগের জীব আলাদাভাবে সৃষ্টি হয়ে একসাথে মিলিত হয়েছে। আমার মনে হয় এতো বড় চাপাবাজি কোন বিবর্তনবাদিও করবে না।

 

৫. কয়েকটা মৌল থেকেই যদি জীব সৃষ্টি সম্ভব হয় তবে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষাগারে তা পারেনা কেন? প্রকৃতপক্ষে জীব তো দূরের কথা একটা জীব কোষও তৈরী করার ক্ষমতা রাখে না মানুষ।

 

৬. কল্পনা করুন কয়েক লক্ষ বছর আগে একটা বানর মারা গেছে। এখন সেই বানর পৃথিবীতে আর নেই মানে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আমি এখন সেই বানরের ফসিল নিয়ে গবেষণা করে বের করলাম যে আদিম মানুষ এই রকম ছিল, তাহলে সত্য মিথ্যা যাচাই করা আপনার পক্ষে সম্ভব না, এমনকি গবেষকটি নিজেও জানেন না। তাহলে ফসিল নিয়ে যুক্তি দেয়া কতটা যুক্তিযুক্ত?

 

৭. যদি ধরে নেই প্রথম জীবটা নিজে নিজে বংশ বিস্তার করতে পারত তবে সেই জীব থেকে এমন জীব সৃষ্টি হওয়া অসম্ভব যার বংশ বিস্তার করতে সঙ্গীর দরকার হয়।

 

৮. যখন বিজ্ঞানীরা দেখল তারা যেভাবে বলেছে সেভাবে কোন জীবের বিবর্তন হচ্ছে না। তখন তারা এর সময়কাল বাড়িয়ে দিল। তারা বলল একই গোত্ররের প্রাণীর এক প্রজাতি থেকে অন্য প্রজাতিতে রূপ নিতে সময় লাগে কয়েক মিলিয়ন বছর।

তাহলে হিসাব করে দেখেন ২৩ লক্ষ প্রজাতি সৃষ্টি হতে কত সময় লেগেছে। উল্লেখ পৃথিবীর বয়স মাত্র ৫ বিলিয়ন বছর।

 

৯. যদি জীব এমনি এমনি সৃষ্টি হতো এবং পরিবেশের আচরন দ্বারা বিবর্তিত হতো তবে প্রতিটি গ্রহে পরিবেশ অনুযায়ী প্রাণী গড়ে উঠত, যদিও বিজ্ঞানীরা এলিয়েন খোঁজার বৃথা চেষ্টা করছে। এলিয়েন নিয়ে পরবর্তীতে আমি বিস্তারিত টিউন করবো।

 

১০. একটি মস্তিষ্ক বিহীন প্রাণী যদি সব কিছু করতে পারে তবে মস্তিষ্ক কেন দরকার হবে? একটা মস্তিষ্ক বিহীন প্রাণী থেকে কিভাবে একটা মস্তিষ্ক সহ প্রাণী বিবর্তিত হয়? DNA এবং মস্তিষ্ক বিবর্তন নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি তাই এই মতবাদকে আমি অসম্পূর্ণ মনে করি।

 

১১. ডারউইনের মতে আদিম মানুষ গাছে চরত তাই তাদের লেজ ছিল কিন্তু গাছ থেকে নেমে আসায় প্রয়োজনের অভাবে সেটি খসে পরে। এই যুক্তি মতে মানুষ আবার যদি গাছে যায় তবে মানুষের আবার লেজ গজাবে। আর যদি প্রয়োজনের সাপেক্ষে নতুন অঙ্গ তৈরী হয় তবে মানুষের পেছনে আরও দুইটা চোখ থাকত, হাত দুইটা বেশি থাকত, দরকার হলে পাও দুইটা বেশি থাকত, এমনকি দরকার হলে মাথায় সিং থাকত ।

 

পরিশেষে: বিবর্তন এখনও একটা তত্ত্ব, প্রতিষ্ঠিত সত্য নয়। এটি কোন শক্তিশালী যুক্তি বা প্রমান দিয়ে প্রতিষ্ঠিত নয়। সাধারন কিছু যুক্তির উপর এটি ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। তবে ডারউইনবাদির জন্য কষ্টের খবর এটাই যে ডারউইন মতবাদ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। তার স্থান দখল করেছে নিউ-ডারউইন মতবাদ। তবে বিবর্তনবাদিরা এটাও স্বীকার করেছে যে, নিউ-ডারউইন মতবাদ অনেক সমালোচক প্রশ্নের উত্তর দিতে ব্যার্থ হয়েছে। তাহলে এটা ১০০% নিশ্চয়তা দিয়ে বলা যায় যে বিবর্তনের মত কল্পকাহিনী অচিরেই ইতিহাসে পরিণত হবে।

 

বিবর্তন এ সৃষ্টিকর্তা: বিবর্তন ও সৃষ্টিকর্তা দুটি একসাথে আপনি মেনে নিতে পারবেন না। আবার একসাথে অস্বীকারও করতে পারবেন না। যেকোন একটি

আপনাকে মেনে নিতে হবে। কোনটা মেনে নিবেন সেটা আপনার ইচ্ছা। তবে বলে রাখি যদি সামান্য বিজ্ঞানের জ্ঞান নিয়ে সৃষ্টিকর্তাকে অস্বীকার করেন তবে যেনে রাখুন আপনার পায়ের নিচের মাটি নেই। আল্লাহ্‌ আপনাদের হেদায়েত করুক ।

ওমর ফারুক হেলাল

তেমন কেউ না,একজন ছাত্র।মাদ্রাসায় পড়ালেখা করছি ভালো আলেম হওয়ার আশায়।পাশাপাশি দ্বীনে কিছু কাজের সাথে জড়িত আছে পরকালীন মুক্তির নেশায়। আল্লাহ আমাকে কবুল করুক। আমীন

4 thoughts on “আল্লাহর অস্তিত্ব

  • March 31, 2013 at 7:54 am
    Permalink

    “ওয়া ইয ক্বালা রাব্বুকা লিল মালায়িকাতি ইন্নী জায়িলূন ফিল আরদি খালীফাহ” পবিত্র কুরআনের এই আয়াতের মানব সৃষ্টির প্রারম্ভিকতা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তুলে ধরেছেন। মহাবিশ্ব ও এর মধ্যকার সবকিছু কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে তা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর অবতীর্ণ পবিত্র কুরআন ও তাঁর হাদীসের মধ্যে সবচেয়ে ভালভাবে বর্ণিত হয়েছে। কাজেই বিশ্বাসীদের জন্য বিবর্তনবাদের মাধ্যমে সৃষ্টিরহস্য জানার বৃথা চেষ্টা করার কোনই প্রয়োজন নেই।

    আপনার পোস্ট থেকে আমি এটাই অনুধাবন করলাম। জাযাকাল্লাহু খাইর।

Leave a Reply