হাদীস (পর্ব ০২)

পরম করুনাময় আল্লাহ্ এর নামে শুরু করলাম

 

আসসালামু আলাকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালই আছেন, আমি ও আমরা আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহ্র অশেষ রহমতে অনেক ভাল আছি।

পর্ব এক

হাদীসঃ হযরত মোহাম্মদ (সঃ) বলিয়াছেন- সন্তান জন্মিলে সপ্তম দিবসে তাহার আকিকা করিবে, নাম রাখিবে এবং মাথা কামাইবে। তারপর যখন ছয় বৎসর বয়স হয় তখন দ্বীনি এল্ম এবং ইসলামী আদব কায়দা শিক্ষা দিবে। যখন নয় বৎসর বয়স হয় তখন তাদের বিছানা পৃথক করিয়া দিবে, যখন দশ বৎসর বয়স হয় তখন নামায না পড়িলে শান্তি দিবে যখন ষোল বৎসর বয়স হয় তখন বিবাহ দিবে; বিবাহ দিয়া তাহার হাত ধরিয়া বলিবে, বাবা ! আমি তোমাকে আদব-কয়দা শিক্ষা দিয়াছি এলম শিক্ষা দিয়াছি, তোমাকে বিবাহ দিয়াছি, “আউজুবিল্লাহি মিন্ ফিত্নাতিকা অ-আ’ জা-বিল্ অ-খিরহ।”

অর্থাৎ-এখন আমি তোমার অপকারিতা হইতে এবং আখেরাতের আজাব হইতে আল্লাহ্ এর কাছে পানা চাইতেছি।

 

মাছলাঃ সন্তান জন্মিলে ছেলে হউক বা মেয়ে হউক তাহার ডাইন কানে আযান এবং বাম কানে একামতের শব্দগুলি শুনাইয়া দেওয়া দরকার।

 

হাদীসঃ হয়রত মোহাম্মদ (সঃ) বলিয়াছেন-পিতা পুত্রকে যতই সম্পত্তি দান করুক না কেন কিন্তু ইসলামী আদব-কয়দা এবং এলমে-দ্বীন অপেক্ষা ভাল সম্পত্তি আর কিছুই নেই।

 

হাদীসঃ হযরতের জীবিতাবস্থায় মদীনা শরিফে কোন সন্তান জন্মিলে লোকেরা শিশু-সন্তানদের হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর খেদমতে বরকত ও দোয়ার জন্য হাযির করিত; হযরত মোহাম্মদ (সঃ) তাহাদের জন্য দোয়া করিতেন এবং খেঅরমা চিবাইয়া তাহার রস তাহাদের টাকরায় লাগাইয়া দিতেন।

 

মাছালাঃ খোরমা বা তদাভঅবে কোন মিষ্টি জিনিস কোন নেক আলেম লোকের দ্বারা চিবাইয়া শিশু বাচ্চার টাকরায় লাগাইয়া দেওয়া সুন্নত।

 

মাছালাঃ সম্ভ্রান্ত লোকদের (পুরুষ হউক বা স্ত্রী) তাহাদের নাম ধরিয়া না ডাকিয়া অমুকের বাপ বা অমুকের মা বলিয়া ডাকা সুন্নত; কিন্তু কাফের বা ফাছেক ফাজের বা বেদয়াতী লোকদের সম্মান কা যায়েয নহে।

ভাল লাগলে কমেন্টে জানাতে ভুলবে না…

ভুলে ভরা জীবনে ভুল হওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়,যদি আমার লেখার মাঝে কোন ভুলত্রুটি থাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ সবাই ভাল থাকবেন।

মোঃ আবুল বাশার

আমি একজন ছাত্র,আমি লেখাপড়ার মাঝে মাঝে একটা ছোট্ট পত্রিকা অফিসে কম্পিউটার অপরেটর হিসাবে কাজ করে,নিজের হাত খরচ চালানোর চেষ্টা করি, আমি চাই ডিজিটাল বাংলাদেশ হলে এবং তাতে সেই সময়ের সাথে যেন আমিও কিছু শিখতে পারি। আপনারা সকলে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরার চেষ্টা করুন এবং অন্যকেও ৫ওয়াক্ত নামাজ পরার পরামর্শ দিন। আমার পোষ্ট গুলো গুরে দেখার জন্য ধন্যবাদ, ভাল লাগেলে কমেন্ট করুন। মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে,ভুল ত্রুটি,হাসি,কান্না,দু:খ,সুখ,এসব নিয়েই মানুষের জীবন। ভুলে ভড়া জীবনে ভুল হওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়,ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃর্ষ্টিতে দেখবেন। আবার আসবেন।

Leave a Reply