রাস্তা চলার সুন্নাত ও আদবসমূহ

১. বড় রাস্তা হলে ডান দিকে চলা।
২. দৃষ্টি নত করে চলা।
৩. কিছু সম্মুখপানে ঝুঁকে চলবে। নবী করীম
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ
চলতেন।
৪. হাত পা ছুড়ে ছুড়ে অহংকারের
সাথে চলবে না।
৫. রাস্তা অতিক্রম করার সময় দ্রুত চলবে।
৬. নারীদের জন্য রাস্তার
কিনারা ছেড়ে দিবে।
৭. প্রয়োজনে চলার পথে কোথাও
থামতে বা অবস্থান করতে হলে এমন জায়গায়
অবস্থান করবে, যাতে অন্যদের
চলা ফেরা ইত্যাদির ব্যাঘাত না ঘটে।
৮. পথে কষ্টদায়ক কিছু
পেলে তা সরিয়ে দিবে।
৯. মুসলমাদেরকে সালাম দিবে এবং তাদের
সালামের উত্তর দিবে।
১০. কোন অন্ধকে দেখলে প্রয়োজনে (ডান হাত
দিয়ে তার বাম হাত ধরে) যতটুকু সে চায়
এগিয়ে দিবে।
১১. পথহারাকে পথের সন্ধান দিবে। তবে কোন
কাফেরকে তাদের উপাশনালয়ের সন্ধান
দিবে না।
১২. নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি হলেও তার জন্য
লোকদেরকে পথ
থেকে ধাক্কা দেয়া বা সরাবে না।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর
জন্য এরূপ করা হত না।
১৩. বৃদ্ধ লোকদের জন্য চলার সময়
লাঠি নেয়া সুন্নতে আদিয়া।
১৪. উপর দিকে উঠার সময় ডান
পা আগে বাড়ানো এবং ‘আল্লাহ আকবার’
বলা সুন্নত।
১৫. নীচের দিকে নামার সময় বাম
পা আগে বাড়ানো এবং সুবহানাল্লাহ
বলা সুন্নত।
১৬. সমতল ভূমি দিয়ে চলার সময়
‘লাইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলা সুন্নত।
১৭. ইয়াহুদী নাসারাদেরকে দেখলে তাদের
জন্য পথ সংকুচিত করে দিবে প্রশস্ত
করে দিবে না, যাতে তাদের সম্মান প্রকাশ
না পায়।
১৮. যাদের বয়স এবং ইলম
বেশি তাদেরকে সামনে চলার জন্য
অগ্রাধিকার দেওয়া আদব। উল্লেখ্য, বয়স
এবং ইলম এ দুটোর মধ্যে ইলম অধিক মর্যাদার
হকদার, অতএব অধিক বয়সী ব্যক্তি অধিক
ইলমের অধিকারীকে (যদিও তার বয়স কম হয়)
সামনে চলার জন্য অগ্রাধিকার দিবেন।

ﺳﻴﻔﻮﺭ ﺭﺣﻤﻦ

মোঃ আবুল বাশার

আমি একজন ছাত্র,আমি লেখাপড়ার মাঝে মাঝে একটা ছোট্ট পত্রিকা অফিসে কম্পিউটার অপরেটর হিসাবে কাজ করে,নিজের হাত খরচ চালানোর চেষ্টা করি, আমি চাই ডিজিটাল বাংলাদেশ হলে এবং তাতে সেই সময়ের সাথে যেন আমিও কিছু শিখতে পারি। আপনারা সকলে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরার চেষ্টা করুন এবং অন্যকেও ৫ওয়াক্ত নামাজ পরার পরামর্শ দিন। আমার পোষ্ট গুলো গুরে দেখার জন্য ধন্যবাদ, ভাল লাগেলে কমেন্ট করুন। মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে,ভুল ত্রুটি,হাসি,কান্না,দু:খ,সুখ,এসব নিয়েই মানুষের জীবন। ভুলে ভড়া জীবনে ভুল হওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়,ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃর্ষ্টিতে দেখবেন। আবার আসবেন।

Leave a Reply