আল্লামা রাহমাতুল্লাহ কীরানবী (১ম পর্ব)

১. জন্ম ও বংশ

মুহাম্মাদ রাহমাতুল্লাহ কীরানবী ১২৩৩ হিজরি সালের জুমাদাল উলা মাসের ১ তারিখ, মোতাবেক ১৮১৮ খৃস্টাব্দের মার্চের ৮/৯ তারিখে ভারতের রাজধানী দিল্লীর পার্শ্ববর্তী ‘মুজাফ্ফর নগর’ জেলার ‘কীরানা’ বা ‘কৈরানা’ গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম খলীলুর রহমান। তিনি ছিলেন তৃতীয় খলীফায়ে রাশেদ যুন্-নূরাইন ‘উসমান ইবনু ‘আফ্ফানের (রা) বংশধর। তাঁর ২৪তম পিতামহ ‘আব্দুর রাহমান ইবনু ‘আব্দুল ‘আযীয সর্বপ্রথম সুলতান মাহমূদ গযনবীর সাথে ভারতে আগমন করেন। এক পর্যায়ে তিনি পানিপথে স্থায়ীভাবে অবস্থানের সিদ্ধান্ত নেন। আল্লামা রাহমাতুল্লাহর ৭ম পিতামহ আব্দুল কারীম একজন প্রসিদ্ধ চিকিৎসক ছিলেন। ভারতের মোগল সম্রাট আকবরের এক জটিল রোগের চিকিৎসায় তিনি সফল হন। পুরস্কার হিসেবে সম্রাট আকবর তাকে ‘কৈরানা’ গ্রামে অনেক লাখেরাজ ভূ-সম্পত্তি প্রদান করেন। তখন থেকে তাঁরা তথায় বসবাস করতে থাকেন। পরবর্তী মোগল শাসনামলে এ বংশের অনেকেই বিভিন্ন বড় বড় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ইসলামী ধর্মতাত্ত্বিক জ্ঞান ও চিকিৎসা বিদ্যায় পারদর্শিতার জন্য তাঁরা প্রসিদ্ধ ছিলেন।

২. শিক্ষা ও জ্ঞানার্জন

রাহমাতুল্লাহর পিতা, চাচা ও বংশের অনেকেই ছিলেন ভারতের তৎকালীন প্রসিদ্ধ আলিমদের অন্যতম। ইলম, ধার্মিকতা, সম্পদ ও প্রতিপত্তি সবদিক থেকেই তাঁরা প্রসিদ্ধ ছিলেন। তাঁদের হাতেই রাহমাতুল্লাহর হাতেখড়ি। ১২ বৎসর বয়সে তিনি ‘হিফযুল কুরআন’ (কুরআন কারীম মুখস্থ) সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি তিনি ইসলামী জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় শিক্ষা লাভ করেন এবং তিনি আরবী, ফার্সী ও উর্দু তিনটি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করেন।

এরপর তিনি উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য তৎকালীন ভারতের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক রাজধানী দিল্লী গমন করেন। তথায় প্রসিদ্ধ ‘আলিম মুহাম্মাদ হায়াতের ‘মাদ্রাসা’ (মহাবিদ্যায়ল )-এ ভর্তি হন। উক্ত মাদরাসায় ও দিল্লীর অন্যান্য ‘আলিমের নিকট ইসলামী জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় বিশেষ ব্যুৎপত্তি লাভ করেন। শিক্ষার আগ্রহ রাহমাতুল্লাহকে এখানেই থামতে দেয় নি। দিল্লীর ‘আলিমদের থেকে শিক্ষা গ্রহণ সমাপ্ত করার পরে তিনি লক্ষেèৗ গমন করেন। ইসলামী জ্ঞানের চর্চায় লক্ষেèৗও অত্যন্ত প্রসিদ্ধ ছিল। তথাকার সুপ্রসিদ্ধ আলিম ও ফকীহ মুফতী সা’দুল্লাহর নিকট তিনি অধ্যয়ন করেন। ইমামবখশ সাহবায়ীর নিকট ফারসী সাহিত্য অধ্যয়ন করেন। তৎকালীন প্রসিদ্ধ চিকিৎসক মুহাম্মাদ ফায়েযের নিকট চিকিৎসাবিদ্যা শিক্ষা করেন। এছাড়া তৎকালীন প্রসিদ্ধ পণ্ডিতদের নিকট গণিত-শাস্ত্র ও প্রকৌশলবিদ্যা অধ্যয়ন করেন।

এভাবে দিল্লী ও লক্ষেèৗ-এর শিক্ষক ও পণ্ডিতদের নিকট থেকে ইসলামী ও প্রচলিত শিক্ষার বিভিন্ন শাখায় পাণ্ডিত্য ও ব্যুৎপত্তি লাভের পরে রাহমাতুল্লাহ তাঁর জন্মস্থান কৈরানায় ফিরে আসেন। তথায় তিনি একটি মাদরাসা (মহাবিদ্যালয়) প্রতিষ্ঠা করেন। স্বল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর পাণ্ডিত্যের কথা ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন স্থান থেকে মেধাবী ছাত্ররা তার মাদরাসায় ভর্তি হয়ে শিক্ষালাভ করতে থাকেন। এদের মধ্যে অনেকেই পরবর্তীকালে ইসলামী শিক্ষা প্রচার, খৃস্টধর্ম-প্রচারকদের বিভ্রান্তি প্রতিরোধ ও বৃটিশ আধিপত্য বিরোধী আন্দোলনে তাঁর সাহচর্যে থেকেছেন এবং অনেকেই তাঁদের লিখনী, বক্তব্য ও শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে ভারতের মুসলিম জাগরণ ও প্রতিরোধ আন্দোলনে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। এদের একজন ছিলেন আল্লামা শাইখ ‘আব্দুল ওয়াহ্হাব। তিনি মাদ্রাজের প্রথম ইসলামী মহাবিদ্যালয় (মাদ্রাসা) ‘আল-বাকিয়াতুস সালিহা’ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে মাদ্রাজের সবচেয়ে বড় ইসলামী শিক্ষাপীঠ বলে গণ্য।

৩. ভারতের তৎকালীন অবস্থা ও মিশনারি অপ-তৎপরতা

১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে বাংলার পতন ছিল ইসলাম ও খৃস্টধর্মের ইতিহাসের একটি মোড়। ইসলামের সাথে খৃস্টধর্মের প্রতিযোগিতা ও সংঘাত প্রথম থেকেই। প্রথম থেকেই ইসলামের পাল্লা ভারী থেকেছে। মুসলিম উম্মাহর রাজনৈতিক দুর্বলতা ও বিচ্ছিন্নতার সুযোগে খৃস্টীয় ইউরোপ ঐক্যবদ্ধ হয়ে ১০৯৫ খৃস্টাব্দ থেকে পরবর্তী প্রায় দুই শতাব্দী যাবৎ ক্রুসেড নামের মহা-সমর ও মহা-ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েও অবস্থার পরিবর্তন করতে পারেন নি, যদিও ক্রুসেডার নেতৃবৃন্দের অনেকেই প্রাথমিক বিজয়ের পরেই নিশ্চিত হয়েছিলেন যে, আর অল্প কয়েক বৎসরের মধ্যেই ইসলামকে ধরাপৃষ্ঠ থেকে মুছে ফেলা সম্ভব হবে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ফল হয়েছিল উল্টো। অটোমান তুর্কীগণ ক্রমান্বয়ে ইউরোপের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে থাকে। এছাড়া দূরপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ইসলাম দ্রুত প্রসার লাভ করতে থাকে।

খৃস্টীয় অষ্টাদশ শতকে অটোমান সাম্রাজ্যের দুর্বলতার পাশাপাশি ১৭৫৭ খৃস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধে সর্বপ্রথম ইউরোপীয় খৃস্টানগণ একটি মুসলিম দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কর্তৃত্ব গ্রহণ করতে সক্ষম হয়। খৃস্টান প্রচারকগণ একে খৃস্টধর্মের মহাবিজয়ের সূচনা বলে গণ্য করেন। তারা অনুভব করেন যে, অচিরেই ইসলাম বিলুপ্ত হবে এবং খৃস্টধর্ম তার স্থান দখল করবে। বিপুল উদ্দীপনার সাথে তারা ইসলাম বিরোধী প্রচারণা ও খৃস্টধর্ম প্রচারের দিকে এগিয়ে আসেন। একদিকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ক্রমান্বয়ে ভারতের অন্যান্য অঞ্চলে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে থাকে। অপরদিকে ক্রমান্বয়ে খৃস্টান মিশনারিগণ ভারতে আগমন করতে থাকেন। ১৭৯৩ খৃস্টাব্দে উইলিয়াম কেরি (Willian Carey) ব্যাপটিস্ট মিশনারির পক্ষ থেকে কলকাতায় আগমন করেন। অষ্টাদশ শতক শেষ হওয়ার আগেই মিশনারি কার্যক্রম সুনির্ধারিত রূপ লাভ করে। এ শতক শেষ হওয়ার আগেই ভারতে খৃস্টধর্ম, বিশেষত ইংল্যান্ডের চার্চের নিয়ন্ত্রণে প্রটেস্ট্যান্ট ধর্মমত প্রচারের জন্য বিভিন্ন মিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়। সেগুলির মধ্যে ছিল:

১. The Baptist Missionary Society (ব্যাপটিস্ট মিশনারি সোসাইটি)

২. The Church Missionary Society (চার্চ মিশনারি সোসাইটি)

৩. The London Missionary Society (লন্ডন মিশনারি সোসাইটি)

৪. The Free Church of Scotland Mission (স্কটল্যান্ডীয় ফ্রী চার্চ মিশন)

৫. Society for the Propagation of the Gospel (গসপেল প্রচার সোসাইটি)

এ সকল প্রচারক সমিতি ও সংস্থাকে অর্থ, সম্পদ, প্রচারক, রাজনৈতিক সমর্থন ও বই-পুস্তকাদি দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য বৃটিশ ও বিদেশী বাইবেল সোসাইটি British and Foreign Bible Society) গঠন করা হয়। এছাড়া ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর ও ব্রিটেনের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মধ্যে অনেকেই ভারতীয় হিন্দু ও মুসলিমদেরকে যেকোনোভাবে খৃস্টধর্মে ধর্মান্তরিত করার বিষয়ে অতি-আগ্রহী ছিলেন। ভারতে বৃটিশ শাসনের স্থায়িত্বের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে তারা ইংল্যান্ডে বিশেষভাবে প্রচার করেন। ফলে অভূতপূর্ব উদ্দীপনা ও উগ্রতার ভিতর দিয়ে বাংলা ও ভারতে খৃস্টধর্ম প্রচার ও প্রতিষ্ঠার ধারা শুরু হয়।

ধর্মান্তকরণের এ প্রচেষ্টা বিভিন্ন খাতে প্রবাহিত হয়। অগণিত মিশনারি স্কুল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা, মুসলিম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি বিলুপ্ত করা, মুসলিম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়াক্ফকৃত সম্পত্তি জবরদখল করা, ‘ধর্মনিরপেক্ষতার’ নামে মূল শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ইসলামী শিক্ষা অপসারণ করা, ইংরেজি ভাষাকে রাষ্ট্রীয় ভাষার মর্যাদা দেওয়া, ইতিহাস, দর্শন ইত্যাদি বিষয়ে ইসলাম বিরোধী বিকৃত তথ্যাদি উপস্থাপন করা, মুসলিমদের মধ্য থেকে গোলাম আহমদ কাদিয়ানী ও অন্যান্য ভণ্ড ও প্রতারককে সাহায্য করে ইসলামকে বিকৃত করার অপচেষ্টা করা ইত্যাদি। তবে, সবচেয়ে মারাত্মক বিষয় ছিল বাংলা, উর্দু ও ফার্সী ভাষায় ইসলাম ধর্ম, কুরআন কারীম ও মুহাম্মাদ ()-এর বিরুদ্ধে কুৎসা রটনার জন্য বিভিন্ন পুস্তক রচনা করে মুসলিমদের মধ্যে বিতরণ করা, প্রকাশ্যে সকল মুসলিমকে খৃস্টধর্ম গ্রহণ করার জন্য নিয়মিত জোরালো দাবি জানানো, এজন্য ব্যক্তিগতভাবে চাপাচাপি করা এবং মুসলিম আলিমদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য বহস, বিতর্ক ইত্যাদির চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়া।

এভাবে ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই বাংলা ও ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর প্রভাবাধীন সকল অঞ্চলে খৃস্টান মিশনারিগণ জনসমাবেশ, বাজার, মসজিদ, মাদ্রাসা ও সকল জন-সমাগম স্থানে প্রকাশ্যে ইসলাম বিরোধী অপপ্রচার, বই-পুস্তক বিতরণ ও মুসলিম আলিমদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করতে থাকেন। তাদের মিথ্যাচার ও অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হয়ে প্রথম দিকে কিছু মুসলিম নামধারী ব্যক্তি খৃস্টধর্ম গ্রহণ করে। পাদরিগণ এদের নামের আগে মৌলবী, শেখ ইত্যাদি লাগিয়ে এদের মাধ্যমে তাদের অপপ্রচারের ধারা আরো জোরদার করতে চেষ্টা করেন। অনেক সময় কিছু কথা বলার পরে পাদরিগণ সাধারণ মানুষকে জোর করে খৃস্টধর্মে দীক্ষিত করতে চেষ্টা করেন। বিশেষত যখন সাধারণ মানুষেরা ইসলাম ও খৃস্টধর্ম সম্পর্কে তাদের অজ্ঞতার কারণে তাদের অপ-প্রচারের জবাব দিতে অক্ষম হতেন তখন পাদরিরা তাদেরকে খৃস্টধর্ম গ্রহণ করতে পীড়াপীড়ি করতেন।

ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার আরো জোরালো হয় মি. ফান্ডারের আগমনের পরে। মুসলিম বিশ্বে খৃস্টধর্ম প্রচারের জন্য প্রচারক তৈরি ও প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে ঊনবিংশ শতাব্দির দ্বিতীয় দশকে সুইজারল্যান্ডের বাসেলে “Basel Missionary Seminary” প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ প্রতিষ্ঠানে খৃস্টধর্মীয় ধর্মতাত্ত্বিক বিষয়াদির পাশাপাশি আরবী ভাষা, কুরআন, ইসলামী ধর্মতত্ত্ব ও ইসলামের ইতিহাসের বিভিন্ন দিক পড়ানো হতো। কার্ল গোটালেব ফান্ডার  Carl Gottaleb Pfander) ১৮২৫ সালে এই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা সমাপ্ত করার পরে কিছু দিন রাশিয়ার জর্জিয়া ও পারস্যে খৃস্টধর্ম প্রচারে নিয়োজিত থাকেন। এ সময়ে তিনি ফার্সী ভাষাও শিক্ষা করেন। ১৮২৯ সালে তিনি তার ‘মীযানুল হক্ক ( Scale of Truth) বা ‘সত্যের মাপদণ্ড’ নামক গ্রন্থটি জার্মান ভাষায় রচনা করেন। ইসলামের বিরুদ্ধে খৃস্টান পাদরিগণের গতানুগতিক মিথ্যাচার, তথ্যবিকৃতি, অপপ্রচার ও বিষোদ্গার তিনি এই পুস্তকে একত্রে সংকলন করেন। ১৮৩৩ খৃস্টাব্দে তিনি বইটির ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশ করেন। ১৮৩৫ খৃস্টাব্দে তিনি ফার্সী ভাষায় পুস্তকটির অনুবাদ প্রকাশ করেন। এছাড়া তিনি একই উদ্দেশ্যে ও পদ্ধতিতে ফার্সী ভাষায় ‘মিফতাহুল আসরার’ (রহস্যের চাবি) ও ‘তরীকুল হায়াত’ (জীবনের পথ) নামে দুটি পুস্তক রচনা করেন। ১৮৩৫ খৃস্টাব্দে রুশ সরকার জর্জিয়ায় মিশনারি কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। তখন মি. ফান্ডার বাসেলে ফিরে যান এবং ১৮৩৯ খৃস্টাব্দে ভারতে আগমন করেন। তার আগমনের ফলে ইসলাম বিরোধী অপপ্রচার তুঙ্গে উঠে। তিনি তার পুস্তকগুলি উর্দু ও ফার্সী ভাষায় ভারতের মুসলিমদের মধ্যে প্রচার করতে থাকেন। এছাড়া মৌখিক প্রচার ও বিষোদ্গারের ধারা অব্যাহত থাকে।

আল্লামা রাহমাতুল্লাহ কীরানবী (২য় পর্ব)

 

নবাগত রাহী

"ইসলামিকএমবিট (ডট) কম" একটি উন্মুক্ত ইসলামিক ব্লগিং প্লাটর্ফম। এখানে সকলেই নিজ নিজ ইসলামিক জ্ঞান নিয়ে আলোচনা করতে পারেন, তবে এখানে বিতর্কিত বিষয় গুলো allow করা হয় না। আমি এই ব্লগ সাইটটির সকল টেকনিক্যাল বিষয় গুলো দেখাশুনা করি। আপনাদের যে কোন প্রকার সাহায্য, জিজ্ঞাসা, মতামত থাকলে আমাকে মেইল করতে পারেন contact@islamicambit.com

Leave a Reply