যাদু বা কুফরি

আসসালামু আলাইকুম, আপনাদের মাধ্যমে আমি জানতে চাই যে, জিন দাড়া কি কাওকে যাদু কড়া যায়? যদি কেও করে থাকে তাহলে কিভাবে মুক্তি পাওয়া যায় ? উল্লেখ্য যে আমি ফজর ও মাগরিব এর পর ৩ বাড় সূরা নাস এবং ৩ বার সূরা ফালাক পরে আমার শরীর হাত দিয়ে তিন বার করে মুছে নেই। এতে করে কি আমি কারও যাদু করা থেকে মুক্তি পাবো? অন্য কোন সূরা থাকলে আমায় জানাবেন কি? উল্লেখ্য যে, আমি খুব শান্ত স্বভাবের মেয়ে ছিলাম। কিন্তু গাত ১ বছর হল আমি একটুতেই রেগে যাই । আমি এরকম থাকতে চাইনা । কোন আমল করলে আল্লাহ আমার উপর দয়া করবেন আমি আবার শান্ত স্বভাবের হয়ে যাব।

4 thoughts on “যাদু বা কুফরি

  • January 4, 2014 at 7:20 am
    Permalink

    আমার জানামতে সূরা ইখলাস,ফালাক,নার্স, এই সূরা তিনটি তিনবার তিনবার পড়তে হয়, বিসমিল্লাহ্ সহকারে, তাহলে শরীর বন্ধক হয়ে যায়। আর বেশি বেশি তাহাযুদ্দ নামাজ পড়ার চেষ্টা করুন, এবং আল্লাহ্ কাছে সকল বিপদ,বালা মুসিবদ, ধৈর্য্য ধারণ করার তৈফিক ইত্যাদি চান। অন্য উত্তর গুলো পড়ে জানাব, এটা জানালাম এখন। ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য।

  • January 4, 2014 at 8:07 am
    Permalink

    ওয়ালাইকুমুস সালাম,
    হ্যাঁ,জ্বীন-মানুষ উভয় জাতি দ্বারাই জাদু করা যায়।যেমনঃ রাসুল (সাঃ)কে কাফেররা জাদু করেছিল আর তিনি এতে কিছুদিন কষ্টে ছিলেন পরে আল্লাহ তাকে শেফা দেন।
    কুফরী কালাম যদি করে ফেলে তাহলে দ্রুত কোন ভালো আলেমের কাছে গিয়ে বা ওযার কাছে গিয়ে সেটা কাটাতে হবে।আর যদি আপনি বিশ্বাস করে সুরা ফালাক্ব,নাস ৩ বার আর আয়াতুল কুরসী ১ বার করে পড়ে ফুঁ দিতে পারেন তাহলে আশা করি মুক্তি পেয়ে যাবেন।তবে যদি অবস্থার উন্নতি না দেখেন দ্রুত কোন ওযার কাছে গিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে।আর ভাল হওয়ার পর নিয়মিত এই আমল করলে আল্লাহ যাবতীয় যাদু টোনা থেকে মুক্ত রাখবেন ইনশাআল্লাহ্‌।

    পাশাপাশি সুরা ক্বলমের ৫১ ও ৫২ নং আয়াত শরিফ পড়বেন।

    নিজের জিদ নিয়ে চিন্তা করুন।
    কেন জিদ আসছে?
    এই জিদ করে আপনার কোন লাভ হচ্ছে কিনা?
    এর ফলে আপনার কি ক্ষতি হচ্ছে?আপন মানুষের কাছে আপনার অবস্থান কেমন এখন?
    এগুলো চিন্তা করার পর সমাধান খুজতে চেষ্টা করুন।নিজেই দেখবেন অনেক কিছু বুঝে যাবেন।আর রাগ পরিহার করার চেষ্টা করুন বিশেষ করে স্বামীর সাথে।আর মানুষের রাগ তখন প্রকট থাকে যখন সে খুব চিন্তায় থাকে।তাই আপনাকে বলব সব রকম চিন্তা থেকে মুক্ত থাকুন।আর জীবনের প্রতিটা মুহুর্ত আল্লাহর জন্যই রাখুন।দেখবেন জীবন আনন্দে ভরে যাবে।
    আর আরেকটা কথা বলব,যদি স্বামী সামান্য শিক্ষিত হয় তাহলে তার সাথে সব শেয়ার করুন।তবে এমন কিছু নয় যাতে সে আপনাকে খারাপ ভাববে বা আপনাদের মধ্যকার সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাবে।

Leave a Reply