তালাক ও বিবাহ

আসসালামু আলাইকুম,

আমার বয়স ২৬, আপনাদের মাধ্যমে জানতে চাই যে, আমার স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় আমি তাকে তালাক দিয়ে দেই।সে দিরঘদিন জাবত বিদেশ ছিল এবং আমি জাখন তাকে তালাক দেই সে তাখন দেশের বাহিরে ছিল।(তিনি ৫বছর জাবত সেখানে আসেন)। আমি তার সঙ্গে সুখি ছিলাম না তাই বাদ্ধ হএই তাকি তালাক দেই। আমি কি খুব অন্নায় করেছি। আমার কি অনেক পাপ হবে? তার সঙ্গে তালাক হওার ১ বছর পর বাবা মা এর অনুমতি নিয়ে আমি র এক্তা বিয়ে করেছি। আমার এই স্বামী খুব ভাল এবং দিন্দার। আমরা দুই জন দুজনকে খুব ভালবাসি। এখন আমার প্রশ্ন? মরনের পর হাসরের মাঠে কন শামির কাছে আমায় দার করানো হবে? কার হক আগে? আমি কি আমার এই শামির হক ঠিকমতো পালন করব? কার অধিকার বেশি?

 

5 thoughts on “তালাক ও বিবাহ

  • January 3, 2014 at 9:28 am
    Permalink

    ইসলাম নারীদেরকে তালাক দেওয়া অধিকার দেয় নি, তবে কিছু কিছু কাবিন নামায় নিদিষ্ট কিছু তারিখ দিয়ে শর্ত দেয়া থাকে যে, আমি যদি …….দিন আমার স্ত্রীর কোন খোজ খবর না নেই, বা খোরপোশ না দেই তাহলে সে অন্যত্র চলে যেতে পারবেন/অন্যেকে বিবাহ করতে পারবে মানে তাহলে তালাক। এখন দেখুন আপনার কাবিনে এই রকম কোন শর্ত ছিল কিনা, যদি না থাকে তাহলে আপনার তালাক হয় নি, এবং বর্তমানে যে স্বামীর সাথে ঘর করতেছে সেই সেই লোক ইসলামের শরিয়ত অনুযায়ী স্বামী নয়, এতে করে দুজনেই জেনা করতেছেন। আর যদি এই রকম কোন শর্ত থাকে তাহলে আপনার দ্বিতীয় বিবাহ ঠিক আছে এবং আপনি কেয়ামতের দিন এই স্বামীর পরিচয়েই উঠবেন, কারণ প্রথম জন আগে স্বামী ছিল কিন্তু এখনতো আর সে স্বামী নয়, তাই তাকে আর স্বামী বলা যাবে না। আর মৃতুর আগে মানে আপনি যখন মৃত্যু বরণ করবেন তখন তার সাথে যে পরিচয়/সম্পর্ক ছিল কেয়ামতের দিনও আপনাকে সেই পরিচয়/সম্পর্কে উঠানো হবে, তাই আপনার বর্তমান যে স্বামী আছে এই জনকে’ই স্বামী হিসেবে পাবেন, এরপরে আপনারা দুজনেই যদি জান্নাতি হন তাহলে আল্লাহ চাহেতো এক সাথে থাকতে পারবেন। এখন মূল কথা হল আপনার কাবিন চেক করুন।

  • January 3, 2014 at 12:23 pm
    Permalink

    ওয়ালাইকুমুস সালাম বোন,

    প্রথমে আমাদের জানা উচিৎ ইসলামে নারীকে তালাক দেয়ার অধিকার দেয়া হয়নি।তালাক যদি আপনি দিয়ে থাকেন তাহলে তা তালাক বলে গণ্য হবেনা।অবশ্য যদি স্বামী তালাক দিয়ে দেয় তাহলে হয়ে যাবে।এখন যদি এমন হয় আপনার পুর্বের স্বামী আপনাকে তালাক দেয়নি তাহলে আপনার তালাক হয়নি।এবং আপনার এই বিবাহ সঠিক হয়নি।এখন আপনি ও আপনার বর্তমান স্বামী উভয়েই জিনাকারীদের কাতারে থাকবেন।খুব দ্রুত দুইজন বিচ্ছিন্ন/আলাদা হয়ে যাওয়া আবশ্যক।পরে আপনি তালাক পেলে আবার বিয়ে করতে হবে নতুনভাবে।

    আর বোন ইসলাম এমন এক ধর্ম যেখানে মানব জীবনের শান্তি অনেক বড় বিষয়।কাউকে তালাক দেয়ায় কোন পাপ নেই।তবে হ্যা রাসুল (সাঃ) বিনা প্রয়োজনে তালাক কামনাকারীকে অভিশাপ দিয়েছেন। যেহেতু আপনি তার সাথে সুখী নন তাই তার থেকে পৃথক হওয়া উত্তম।তবে সতর্ক হতে হবে তালাকের ব্যাপারে।সামান্য বিষয়েই যেন তালাক না হয়।কারন ইসলামে এটাকে সর্বশেষ উপায় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।আর রাসুল বলেছেন, আল্লাহর কাছে হালাল/বৈধ জিনিসের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট হল তালাক।

    কেয়ামতের ময়দানে আপনাকে কার সাথে দাঁড় করানো হবে তা আল্লাহর ইচ্ছা।হতে পারে আপনি রাসুলের খুব কাছে দাড়াতে পারবেন আবার হতে পারে নিকৃষ্টদের সাথে।এতে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই।সেখানে কেউ কাউকে চিনবেনা বা কারো ব্যাপারে চিন্তা করার কোন উপায় থাকবেনা।

    অবশ্যই আপনার বর্তমান স্বামীর হক্ব আগে যদি ত্বালাক উপরোল্লিখিত নিয়মে হয়।আগের স্বামীর সাথে আপনার সম্পর্ক হবে তেমন,যেমন অন্য একজন পরপুরুষের সঙ্গে।

  • January 7, 2014 at 4:01 pm
    Permalink

    আস্সালামু আলাইকুম ওয়ারাহ মাতুল্লাহ।
    ১।আমি আবুল বাশার ভায়ের শাথে একমত।
    কারন আবুল বাশার ভাই এর বর্ননা কিত মাসআলাটাই সঠিক এবং তা জামে মানে।
    ২।ওমর ফারুক হেলাল ভাইকে বলব।
    আপনার বর্ননা কিত মাসআলাটি আবার দেখার অনুরোধ রইল আশাকরি বুজেগেছেন যে কি বলতে চেয়েছি।
    ৩।সবার শেষে বলব তালাকদেয়া ইসলামে যায়েজ থাকলেও তা খুবি গ্রিনিত কাজ যদি একান্তই অপারগ না হন তবে তালাক না দেয়াই উত্তম স্বামি স্ত্রি উভয়ের খেত্রেই।

    • January 8, 2014 at 7:06 am
      Permalink

      ওয়ালাইকুমুস সালাম মাসুম ভাই,

      আমি আসলে বুঝিনি আপনি কি বুঝাতে চাইছেন?আসলে কাবিন নামায় এটা লেখা থাকে কিনা তা আমার জানা নেই তাই আমি এই বিষয়ে লিখিনি।তবে আমি তো বলেছি যদি স্বামী ত্বালাক দিয়ে দেয় তাহলে ত্বালাক হয়ে যাবে।এখন আমি যে মাসয়ালা উল্লেখ করেছি তাতে কি ভূল আছে বললে উপকৃত হব।

      আমাদের অনেকে হয়ত এই বিষয়টি বুঝতেছেনা যে,স্ত্রী ত্বালাক দিতে পারেনা।স্ত্রী কোনভাবেই তার স্বামীকে ত্বালাক দিতে পারেনা।এখন স্বামী যদি কোন শর্ত দেয় আর সেই অনুযায়ী যদি ত্বালাক হয় তাহলে তা কি স্ত্রী দিল না স্বামী দিল?

  • January 8, 2014 at 11:03 pm
    Permalink

    আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহ মাতুল্লাহ
    ওমর ফারুক ভাই আপনার এ কথার শাথে আমি একমত, যে ইসলাম নারীকে তালাক দেয়ার কোন অধিকার দেয়নি।
    কিন্তু আমি যেদিকে ইঙ্গিত করেছি সেটা হোল কাবিন নামায় কনে পক্ষ থেকে কিছু শর্ত দেয়া আছে এবং পাশা পাশি হ্যা বা না অপশন আছে সেখানে স্বামিকে সম্মতি দিয়ে সাইন করতেহয় ।
    ফলে স্বামি বেচারায় যে কোন সময় চাক্রি হারানোর ভয় থাকে।
    শুতরাং এখন তার কাবিন নামার উপর নির্ভর করবে তার তালাক হোয়েছে কি হয়নাই।
    আর এ কথাটি আবুল বাশার ভাই তার কথায় উল্লেক করেছেন।তাই বলেছি ওনারটা জামে মানে হোয়েছে।

Leave a Reply