বিয়ে সংক্রান্ত কিছু প্রয়োজনীয় প্রশ্ন। আন্তরিকভাবে সাহায্য প্রার্থী।

আমি একটি মেয়েকে পছন্দ করি। মেয়েটিও আমাকে পছন্দ করে। এক কথায় আমরা একধরনের সম্পর্কে আছি। আমরা ২ জনই বালেগ। আমাদের বয়স ২১+ এবং বর্তমানে ইউনিভার্সিটিতে পড়ছি।
কিন্তু আমাদের ২ জনেরই একটা সমস্যা হচ্ছে। সেটা হল,আমাদের ২ জনের মনেই ইসলামী ও পরকাল ভীতি থাকায় বিয়ের আগে কিংবা বিয়ে ছাড়া আমরা একে অপরের সাথে মিশতে নিজেদের গুনাহগার মনে করি এবং অনেক আল্লাহ ভীতি হয় ও অনুশোচনা বোধ হয়।
কিন্তু আমরা একজন আরেকজনকে না দেখে, না কথা বলে, না মিশে একদমি থাকতে পারি না। কোন কাজ করতে পারি না। সারাক্ষণ প্রচন্ড অস্থিরতা কাজ করে।
এমতাবস্থায় আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যে আমরা যেহেতু বালেগ এবং ২ জনেরই বিয়ের বয়স আছে সেহেতু আমরা যদি কাউকে না জানিয়ে শুধু প্রয়োজনীয় সাক্ষী নিয়ে ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী কালিমা পড়ে বিয়ে করি তাহলেতো আমাদের কথাবার্তায়,মেলামেশায় গুনাহ হবে না।

কিন্তু বিষয়টা আমরা কাউকে জানাতে চাচ্ছি না। আমাদের আত্মনির্ভরশীল হতে ও উভয়ের পরিবারকে রাজি করাতে আর ৪-৫ বছর লাগবে। যখন পরিবার রাজি হয়ে আমদের সামাজিক ও পারিবারিকভাবে বিয়ে দিয়ে আমার স্ত্রীকে ঘরে তুলে নিতে রাজি হবে…তখন তাদের মনরক্ষার জন্য এবং আমাদের বিয়ের বিষয়টা লুকানোর জন্য আমরা চুপচাপ আবার বিয়ে করব।

এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে,

১) ইসলামী ও পরকালের ভীতি থাকার কারনে, গুনাহগার না হওার জন্য কাউকে না জানিয়ে বিয়ে করাটা কতটুকু জায়েজ হবে?
২) একই পাত্র-পাত্রী স্বামী-স্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও আগের বিয়ের কথা লুকিয়ে বাবা-মা,পরিবার,সমাজের মন রক্ষার জন্য পুনরায় বিয়ে করা যাবে? কিংবা এতে কি কোন গুনাহ হবে? কিংবা এটা কি জায়েজ হবে?
৩) আমাদের এই সিধান্ত কি নেয়া যাবে? কিংবা এই পরিস্থিতিতে আমাদের জন্য সবচেয়ে কোন সিদ্ধান্ত ভালো হবে?

15 thoughts on “বিয়ে সংক্রান্ত কিছু প্রয়োজনীয় প্রশ্ন। আন্তরিকভাবে সাহায্য প্রার্থী।

  • October 4, 2013 at 3:35 pm
    Permalink

    হাসান ভাই, আপনার সমস্যা দেখে খুশি হলাম। কারন এর মাধ্যমে আপনি পাপমুক্ত হতে চাচ্ছেন। বিবাহ ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ন বিধান। এর মাসলামাসায়েল ব্যপক। বিয়ে সম্পর্কে সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক হযরত মুহাম্মদ সাললাললাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম বলেছেন “ দুনিয়ার সব কিছুই (ক্ষনস্থায়ী) সম্পদ,তবে সব সম্পদের তুলনায় সতী-সাধ্বী রমণীই হলো সর্বোত্তম সম্পদ। মুসলিম শরীফ।
    তো আপনারা যেহেতু বালেগ সুতরাং আপনারা বিবাহ করতে পারেন। ইসলামী নিয়মে বিবাহের জন্য দুটি বিষয় লাগে। যথা:
    1. ইজাব[প্রস্তাব]।
    2. কবুল[গ্রহন]

    আপনাদের মধ্যে যে কোন একজন তার ওলী তথা নির্ভরশীল এর মাধ্যমে প্রস্তাব পাঠাবে এবং অন্যজন যদি তা গ্রহন করে তাহলে সাক্ষী উপস্থিত থাকা শর্তে আপনাদের বিবাহ হয়ে যাবে। সরাসরি একজন আরেকজনকে প্রস্তাব পাঠাতে পারবে না। এছাড়াও বিবাহতে আরো কিছু সুন্নত রয়েছে। ইজাব ও কবুল হওয়ার পর আপনারা একজন আরেক জনের জন্য হালাল।
    আরো কিছু শর্ত বিবাহে থাকতে হবে:
    1. কণে ইসলামিকভাবে যোগ্য হতে হবে। যেমন অমুসলিম হওয়া যাবে না।
    2. উভয়পক্ষ পরস্পরের শব্দ শ্রবণ করতে হবে।
    3. দু’জন স্বাধীন পুরুষ বা একজন স্বাধীন পুরুষ ও দু’জন স্বাধীন নারীর সাক্ষী হওয়া।

    আরো বিস্তারিত জানতে চাই….
    http://www.facebook.com/omurmohammadfaruk

    শেষ করছি মহানবীর একটি উক্তি দিয়ে। “ যখন কোন বান্দা বিবাহ করলো তখন যে তার অর্ধেক ঈমান পূর্ন করল। আর বাকী অর্ধেক এর জন্য সে যেন তাকওয়া অবলম্বন করে” বায়হাকী

    আপনাদের জীবন বেহেস্তী হোক, আনন্দময় হোক।

    • October 4, 2013 at 5:12 pm
      Permalink

      @omur.mohammadfaruk.faruk:

      ফারুক ভাই আপনাকে সাহায্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
      আমার ২ নং প্রশ্নের উত্তরে একটু বেশি নির্দিষ্ট হওয়া প্রয়োজন।

      ২) একই পাত্র-পাত্রী স্বামী-স্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও আগের বিয়ের কথা লুকিয়ে বাবা-মা,পরিবার,সমাজের মন রক্ষার জন্য পুনরায় বিয়ে করা যাবে? কিংবা এতে কি কোন গুনাহ হবে? কিংবা এটা কি জায়েজ হবে?

      দয়া করে এই প্রশ্নের উত্তরটা একটু জানাবেন।

      • October 8, 2013 at 8:49 am
        Permalink

        @hasan: ২। হুম পুনরায় বিয়ে করা যাবে এতে কোন সমস্যা নেই। এখানে ইসলাম আপনাকে প্রথম বিয়েটাই হিসাবে নিবে, পরে কয়বার বিয়ে করলেন এতে কোন সমস্যা নেই।

  • October 8, 2013 at 8:51 am
    Permalink

    উত্তর: ১। কাহাকেও না জানিয়ে বিবাহ করা যাবে কোন সমস্যা নেই, যদি ছেলে মেয়ে উভয় রাজি থাকে।
    ২। হুম পুনরায় বিয়ে করা যাবে এতে কোন সমস্যা নেই। এখানে ইসলাম আপনাকে প্রথম বিয়েটাই হিসাবে নিবে, পরে কয়বার বিয়ে করলেন এতে কোন সমস্যা নেই।
    ৩। হুম এই রকম সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এবং এটা এখন আপনাদের জন্য জরুরী কারণ এখন বর্তমান সমাজ অনুযায়ী আপনি নিজে এবং আপনার পছন্দনীয় মেয়েটিকে বেশিদিন পবিত্র রাখতে/থাকতে পারবেন না, তাই আপনাদের মেলামেশাটা হালাল করে নিন।
    পরামর্শ: বিয়েতে দেন মোহর/কাবিন টাকা যা দ্বার্য করবেন সেটা অবশ্যই দিয়ে দিবেন, তারপর আপনার স্ত্রীকে ধরার অধিকার পাবেন, অবশ্যই আপনি দেয়ার চেষ্টা করবেন, মাফ চাবেন না। কিন্তু আপনি মাফ চাওয়া সত্ত্বেও যদি সে নিজ থেকে আপনাকে জানায় যে, সে টাকার দাবি ছেড়ে দিছে তাহলে কোন সমস্যা নেই। তবে আপনি স্ত্রীর কাছে যাওয়ার আগে এই নিয়ত রাখবেন না যে, আমি গিয়ে মাফ চেয়ে নিব, তাই টাকা লাগবে না। হুশিয়ার হুশিয়ার হুশিয়ার হুশিয়ার হুশিয়ার মোহরানা মোহরানা খেয়াল রাখবেন।

  • November 18, 2013 at 3:08 am
    Permalink

    আছছালামুআলাইকুম’ আমি আবদুল কুদদুছ আমি একটা জামেলায় পড়ে আমি আমার বউ এর ছোট বোন মানি আমার শ্যালিকে বিবাহ করছি এখন আমি তারা দুজনকে নিয়েই আমি ঘর করতেছি দুজন দুবাড়ীতে আছে আমি জানতে চাই এবাবেকি রাখা জাবে?

    • November 18, 2013 at 8:42 am
      Permalink

      ধন্যবাদ প্রশ্ন করার জন্য, তবে আপনার প্রশ্নটির সম্পূর্ন বিস্তারীত বলেন নি, দুজন দুই বাড়িতে মানে আপনি তাদের দুজনকে দুটি ঘরে করে দিয়ে দুটি ঘরে রেছেন নাকি? যাক আর এটা আপনি অন্য এক লোকের প্রশ্ন করার পোষ্টে কমেন্ট করেছেন, তাই এখানে বলা যাবে না, আপনি এখানে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা বিষয়ে নতুন করে পোষ্ট করুন, এবং একটু বিস্তারীত বলবেন ভাল ভাবে বুঝিয়ে যাতে করে যারা আপনার প্রশ্নের উত্তর দিবে তারা যেন বুঝে শুনে উত্তর দিতে পারে।

    • December 10, 2013 at 10:38 am
      Permalink

      @quddus56: ভাই,ইসলামে দুই বোনকে একত্রে বিয়ে করা হারাম।আমি কোথায় জানি দেখেছি আপনার এই একই প্রশ্নের উত্তর কেউ দেয়নি।আবার একজন দিয়ছে তাও ভূল দিয়েছে।কোরানে স্পষ্ট ভাবে দুই বোনকে একত্রে বিয়ে করা হারাম ঘোষণা করা হয়েছে।জাহেলী যূগে এটা ছিল।আপনি আরো জানার জন্যে সুরা আলে ইমরানের বিয়ে সঙ্ক্রান্ত আয়াত পড়তে পারেন।
      মুল কথা হল,একসাথে দুই বোনকে বিয়ে করা হারাম ও কবীরা গূনাহ।তবে হ্যা,একবোন মারা যাওয়ার পর আরেকবোনকে বিয়ে করা যাবে।

      আর সাইটের এডমিন যারা তাদের দৃষ্টি আকর্ষন করছিঃ না জেনে যেন কোন উত্তর না দেওয়া হয়।নাহলে সাওয়াব তো দুরের কথা গূনাহ নিয়ে কূল পাবেননা।
      ধন্যবাদ।
      কেউ রাগ করবেননা।শুধু আপনারা আমার মুসলিম ভাই বলেই কথাগুলো বললাম।

  • December 1, 2013 at 2:43 am
    Permalink

    assalamualikum asha kori valo acen, amar kicu kotah cilo, kintu posno ta kutay korbo ami valo kore posno korar niuom jani na? jodi apnader shaty telefphone kotah bolar bebostah ace ki jodi thake tahole ata amar email:quddus56@yahoo.com plz amakey maile korben,abdul quddus frome QATAR

    • December 1, 2013 at 8:28 am
      Permalink

      আপনিতো আমাদের সাইটে’ই আপনার সমস্যা নিয়ে ”প্রশ্ন জিজ্ঞাস” বিভাগে পোষ্ট করতে পারেন। তারপরও যদি আপনার একান্ত পারসোর্নাল হয়ে থাকে যে, কিভাবে সাজিয়ে লিখবেন তা বুঝতে পারছেন না, তাহলে আমাকে ফেসবুকে মেসেজ করে দিতে পারেন, আপনার সমস্যা দেখে, আমি সাজিয়ে দিতে পারি, তারপর আপনি এখানে সেটা নিয়ে পোষ্ট করবেন, তারপর উত্তর পাবেন, কারণ আমরা পারসোর্নাল ভাবে কাউকে উত্তর দেই না। আপনার উত্তর পেতে হলে এখানেই পোষ্ট করতে হবে। আর এটা শুদু বললাম যে, আপনি যদি একদম পোষ্ট করতে বা সাজিয়ে নিতে না পারেন তার জন্য। আমার ফেসবুক মোঃ আবুল বাশার

  • December 10, 2013 at 10:13 am
    Permalink

    ১-মাশাআল্লাহ আল্লাহ আপনার এবং তার ভিতর পরকালীন ভীতি রেখেছেন।এখন কথা হল, বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রীর যোগ্যতা থাকা শর্ত যা ফারুক ভাই উল্লেখ করেছেন।এর পাশাপাশি কিছু যোগ করতে চাই,তা হলঃ বিয়ে আপনাকে কাউকে না কাউকে জানিয়ে করতেই হবে।যাদেরকে ইসলামের ভাষায় শাক্ষী বলে।যদি শাক্ষী রেখে বিয়ে করেন তাহলে ঠিক আছে।

    ২-সবার আগে শতর্ক থাকতে হবে যখন আপনারা চেষ্টা করে একে অন্যের জন্য হতে পারছেননা তখন।আপনি তাকে তালাক দিতে হবে।কারন তা নাহলে সে আপনার স্ত্রী হিসেবেই পরিগনিত হবে।আর আপনার তালাকের ৪ মাস ১০ দিন পর সে অন্যত্র বিয়ে বসতে পারবে।যদি এরুপ না করে তাহলে কঠিন গূনাহগার হবে।আপনি তাকে এমন সময় তালাক দিলেন যখন তার বিয়ের কথা চলছে তা কিন্তু হবেনা।বরং আপনি তাকে এর আগেই তালাক দিয়ে দিবেন যাতে করে তার চার মাস দশ কাটাতে কাটাতে বিয়ে ঠিক হয়ে যায়।আর আরেকটি বিষয় হল,মিথ্যে থেকে দূরে থাকা আবশ্যক।কেউ যদি আপনাকে জিজ্ঞেস করে আপনি বিবাহিত কিনা?তখন কোশলে উত্তর দিবেন।

    ৩-মনে রাখবেন,যদি আপনারা আপনাদের বিবাহ টিকিয়া রাখতে চেষ্টা না করেন তাহলে আপনারা অনেক বড় গূনাহগার হবেন।অর্থাত,যদি আপনারা এই নিয়তে বিয়ে করেন যে মা-বাবা রাজি না হলে আমরা নিজেদের বিয়ে ভেঙ্গে ফেলব।এটা এক প্রকার আপনার মুতা বিয়ের মত হল।আপনাদের নিয়ত থাকবে আপনারা এই বিয়ে করছেন এতে কোন ধোকা নেই,বা একজন আরেকজনকে সুযোগ বুঝে ছেড়ে দিবেননা কোন শরীয়তের কারন ছাড়া।এবং আপনারা প্রাণপ্রনে চেষ্টা করবেন আপনাদের বিবাহ টিকিয়া রাখতে।

    পরামর্শঃ
    আসলে এখানে আমরা কয়েকজন আপনাকে কিছু বুঝাতে চেষ্টা করেছি।আপনি আরো জানার জন্য কোন বিজ্ঞ আলেমের নিকট জিজ্ঞাসা করুন।তারা আরো স্পষ্ট করে দিবেন।

  • January 10, 2014 at 10:31 pm
    Permalink

    আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহ মাতুল্লাহ।
    আল্লাহ তুমি আমাদের সবাইকে হেদায়েত দানকর।
    আয়নাল ভাই আপনাদের দৃস্টি আকর্শন করছি এগুলি কি হচ্চে
    ১।প্রথম কথা হচ্চে এখান থেকে দ্বিতিয় প্রশ্নটি শরিয়ে অন্য কোথাও পোস্ট করা হোক।
    আর না হয় মুছে ফেলা হোক ।
    ২।দ্বিতিয় কথা হচ্চে সবাইকে বলছি কোন মাসআলার উত্তর দেয়ার ক্ষেত্রে আল্লাহকে ভয় করুন শুধু মাত্র ধারনার উপর ভিত্তিকরে অথবা নিজেকে জ্ঞানি সাজাতে গিয়ে ভুল উত্তর দিলে কেয়ামতের ময়দানে তাদের কি অবস্থা হবে তা প্রকাশ করার মত ভাশা আমার জানা নাই ।
    এডমিন ভাই আপনারাও এর জন্য দাই হবেন ।
    পরি শেষে আবার বলছি সাবধান আল্লাহকে ভয়কর ।

    • January 11, 2014 at 2:20 am
      Permalink

      এখানে কোন উত্তরটি আপনার ভুল বলে মনে হচ্চে? সেটি ধরিয়ে দিন, তারপরও আপনার উত্তর দিচ্ছি।

  • January 11, 2014 at 11:05 pm
    Permalink

    ১।এডমিনদের দৃস্টি আকর্শন করার উদ্যেশ্য হোলো নিয়ম ভঙ্গকরে একপ্রশ্নের উত্তরে দ্বিতিয় প্রশ্ন করা এবং তার সমাধান না করা ।সমাধান পদ্যতি ১নং কমেন্টে বলেছি।
    ২।সতর্ক করার কারন হল ১নং কমেন্টে প্রয়োজনিয় আলোচনা বাদদিয়ে অপয়োজনিয় আলোচনা করা যা আদৌ জান্তে চায়নি।

Leave a Reply