সঠিক উত্তর এবং পরামর্শ চাই ?

আমি একটি খুব ভালো ইউনিভার্সিটি তে অধ্যয়ন করছি । কিন্তু আমি এখানে পরীক্ষা দিয়ে চান্স পাই নাই। আমার বাবার কিছু লিংক ছিল তার মাধ্যমে কিছু টাকা পয়সা খরচ করে এখানে ভর্তি হয়েছি। এখন আমার প্রশ্ন হলো এজন্যে আমি ভবিষ্যতে যেই চাকরি করব এই ভার্সিটি হতে পাশ করে, সেই চাকরি হতে উপার্জিত অর্থ কি হারাম হবে? আমি যদি হালাল উপার্জন করি তাও কি সেইটা হারাম হবে? আমি খুবই মনোযোন্ত্রনার মধ্যে আছি। আমি চাই আমার জীবনের সকল উপার্জন হালাল হোক। প্লিজ কেও জানাবেন। ধন্যবাদ

8 thoughts on “সঠিক উত্তর এবং পরামর্শ চাই ?

  • September 7, 2013 at 12:51 pm
    Permalink

    আসসালামু আলাইকুম !
    আমার জানামতে , এখন আপনি লবিং করে যে ইউনিভার্সিটিতে চান্স পেয়েছেন তার জন্য পাপ হবে কিন্তু এখান থেকে পাস করে নিজ যোগ্যতায় যখন হালাল উপার্জন করবেন সেটা অবশ্যই ১০০ ভাগ হালাল হবে !

    ( দেখেন আরও মতামত কি আসে ) এখানেও প্রশ্ন করে দেখতে পারেন http://jamiatulasad.com

      • September 8, 2013 at 5:04 pm
        Permalink

        @মোঃ আবুল বাশার: নীতিমালা ২.৪ প্রচারণার উদ্দেশ্যে মন্তব্যে কোন সাইট বা সার্ভিসের লিংক প্রকাশ করা যাবে না।
        ভাই! এখানে আমার উদ্দেশ্য ঐ সাইটের প্রচারণা ছিল না । উদ্দেশ্য ছিল ইসলাম প্রচারণা , যেভাবে আমি আপনাদের সাইটের ঠিকানা অন্য জায়গায় শেয়ার করি ।
        ধন্যবাদ ! জাযাকাল্লাহু খয়রান !!!

  • September 7, 2013 at 1:11 pm
    Permalink

    ধন্যবাদ আরমান ভাই। কিন্তু আমি যখন চাকরি করব সেই চাকরি তো এই ইউনিভার্সিটি থেকে পাশ করেছি বলেই পাব, যেই ইউনিভার্সিটি তে আমি লবিং করে ভর্তি হয়েছিলাম। তাই আমার মনে এই খুতখুতানি টা। কেও আরো পরিষ্কার করে জানালে ভালো হত। আরমান ভাই আপনাকে আরেকবার ধন্যবাদ, আপনের দেয়া ওয়েবসাইট এও আমি পোস্ট করব।

  • September 7, 2013 at 5:14 pm
    Permalink

    আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আতিক ভাই । যেহেতু ঐ প্রতিষ্ঠানটির নিয়ম যে পরীক্ষ দিয়ে পাশ করলে এই প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া যাবে। কিন্তু আপনি আপনার পিতার এবং টাকার মাধ্যমে ঐ প্রতিষ্ঠানটিতে ভর্তি হয়ে গেছেন ।এখানে আপনি ,আপনার পিতা এবং এর সাথে জড়িত সবাই অন্যায় কাজ করেছেন ।এটা গুনাহের কাজ ।
    এখন ভাবুন আপনি যদি মহান আল্লাহ তাআলার কাছে তাওবা করেন যে এই দরনের গুনাহের কাজ আর করবেন না ।তাহলে কি মহান আল্লাহ তাআলার আপনার তাওবা কবুল করবেন না ? আমি মনে করি অবশ্যই কবুল করবেন ।যদি আপনি মুসলমান হন ,নামায আদায় করেন ,আল্লাহর ইবাদাত করেন তাহলে আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন এবং তাওবা করুন । এখন আসি আপনার উপার্জনে আপনি যদি শরীয়াত মোতাবেক অর্থ উপার্জন করেন তাহলে গুনাহ হবে কেন ? আপনার গুনাহের কারণে আপনি তাওবা করেছেন তারপড় পড়াশুনা করে সেই জ্ঞান খাটিয়ে অর্থ উপার্জন করছেন এখানে অবশ্যই উপার্জিত অর্থ হালাল হবে ।আপনাকে অনুরোধ করছি সঠিক ভাবে ইসলামকে জানুন এবং মানু ।ইসলাম ধর্ম সর্ম্পকে জানতে এবং জানাতে আমাদের এই ইসলামিক ব্লগ সাইট ।
    আশা করি আপনাকে বুঝাতে পেরেছি

    • September 8, 2013 at 8:42 am
      Permalink

      @মোঃ আয়নাল খান: ভাই আপনার সাথে মোটামুটি একমত, তবে একটু কিতাব পর্যালোচনা করে যানাব। তবে তওবা করলে আল্লাহ খুশি হন এবং আল্লাহ নিজে ক্ষমা করেন এবং যারা ক্ষমা করতে ভালবাসে তাদেরকেও আল্লাহ পছন্দ করেন। আর যদি ক্ষমা চাইলে আল্লাহ খুশি হন এবং বলেন আমার বান্দা তার ভুল বুঝতে পেরেছে এবং সে আমাকে ভয় করে আমার কাছে ক্ষমা চেয়েছে হে ফেরেস্তারা তোমরা স্বাক্ষী থাকো আমি ঐ বান্দাকে ক্ষমা করে দিলাম।

  • September 7, 2013 at 10:30 pm
    Permalink

    যেটা যে জায়গায় থাকার কথা সেটা যদি সেই জায়গায় না থাকে তাহলে তাকে যুলুম বলে। আতিক ভাই আপনার অনুশোচনা দেখে আমার মনে হয় আল্লাহ তায়ালা আপনান তাওবা কবুল করবেন। একটা হাদীস বলে শেষ করছি। “সব আদম সন্তান গুনাহগার। তবে উত্তম সে যে তাওবা করে”

    আমরা সবাই গুনাহগার। আসুন তাওবা করার মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে উত্তমদের কাতারে অন্তভূক্ত করি।

Leave a Reply