আপনি কি কোরআন হাদিস অনুযায়ী ইবাদত করেন ?!

 

 

সম্মানিত মুসলিম ভাইয়েরা, আস্‌সালামু আ’লাইকুম ।

 

আমাদের ধর্ম ইসলাম । ইসলাম অর্থ আল্লাহর ইচ্ছার কাছে বশ্যতা স্বীকার ও সমর্পন করা ।

 

পরিভাষায় ইসলাম হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা দ্বীনের নাম যা আমাদের রাসুল মুহাম্মদ (স) এর মাধ্যমে পরিপূর্ণতা লাভ করেছে ।

 

আমরা জন্মগতভাবে আমাদের বাবা মায়ের বা পূর্ব পুরুষের ইবাদতের পদ্ধতি অনুসরণ করি ।

 

যদি শিরোনামের প্রশ্নটি করা হয় তাহলে সবাই মুখে বলেন হ্যাঁ আমরা তাই করি ।

 

বাস্তবে দেখা যাক আমাদের ইবাদতের কতটুকু তাঁর অনুসরণ করি ।

 

কলেমা-  আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই মুহাম্মদ () তার বান্দা ও রাসুল ।

 

আল্লাহ ও রাসুলের নির্দেশ মান্য করতে হবে এবং কোরআন হাদিস বহির্ভূত মানব রচিত কোন নির্দেশ মান্য করা যাবে না ।

 

যে তাগুত (আল্লাহ বিরোধী সব কিছুকে) অস্বীকার ও অমান্য করে আর আল্লাহর উপর ঈমান আনে, সে এমন এক সুদৃঢ় অবলম্বনকে আঁকড়ে ধরে যা ভাঙ্গবার নয় (বাক্বারা, আয়াত ২৫১)

 

আমি সকল জাতির কাছে রাসুল পাঠিয়েছি । তারা সবাই নিজ নিজ জাতিকে এ বলে আহবান জানিয়েছে, তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর এবং তাগুতকে বর্জন কর (নাহল, আয়াত ৩৬)

 

বর্তমানে কোরআন ও হাদিস গ্রন্থগুলো আমাদের মাতৃ ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে । আপনি ইচ্ছা করলে আপনার ধারে কাছে কোন গ্রন্থাগার থেকে তা ক্রয় করে নিতে পারেন

অথবা কোন মাদ্রাসায় গিয়ে তা দেখতে পড়তে পারেন ।

 

মুল ধর্মগ্রন্থ (কোরআন হাদিস) না দেখে আমরা অধিকাংশ লোকই অন্ধ বিশ্বাসে কারো রচিত গ্রন্থ বা মৌখিক কথার উপর বা পূর্বপুরুষদের অনুরুপই ইবাদত করে যাচ্ছি ।

 

যার কোন পূর্ণাঙ্গ দলিল নাই অর্থাৎ আপনি যে ইবাদত করেন তা কোরআনের কোন সুরায়, কোন আয়াতে আছে অথবা হাদিসের কোন গ্রন্থে, কোন খন্ডে, কোন অধ্যায়, কোন পৃষ্টায় বা কত নম্বর হাদিসে আছে তা আমাদের জানা নাই ।

 

এবার চিন্তা করে বলেন কিভাবে আপনি তাগুতকে অস্বীকার করেন এবং শিরোনামের প্রশ্নটি মেনে চলেন ?

 

সালাত বা নামায-

নামায কায়েম করুন । নিশ্চয়ই নামায অশ্লীল ও গর্হিত কার্য থেকে বিরত রাখে (আনকাবুত, আয়াত ৪৫)

 

আপনার নামায যদি কোরআন হাদিস মোতাবেক সহীহ শুদ্ধ না হয় এবং লোক দেখানোর জন্য পড়েন তা কোন দিনই আনকাবুত ৪৫ আয়াত এর মর্যাদা পাবে না ।

 

অতএব দুর্ভোগ সে সব নামাজির যারা তাদের নামাজ সম্বন্ধে বেখবর । যারা তা লোক দেখানোর জন্য করে (মাউন, আয়াত ৪, ৫, ৬)

 

যদি প্রশ্ন করি আপনার নামায কোরআন হাদিসের কোথায় পেয়েছেন ? বলতে পারেন না  তাহলে চিন্তা করে বলেন কিভাবে শিরোনামের প্রশ্নটি মেনে চলেন!

 

সিয়াম বা রোজা-

তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে (বাক্বারা, আয়াত ১৮৩)

 

রমযান মাসই হল সে মাস…………এ মাসের রোযা রাখবে (বাক্বারা, আয়াত ১৮৫)

 

………আর পানাহার কর যতক্ষণ না কাল রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায় । অতপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত………(বাক্বারা, আয়াত ১৮৭)

 

যে ব্যক্তি লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে রোযা পালন করল সে শির্ক করল (মুসনাদে আহমদ ১৯\২২১; আল ফাতহুর রাব্বানী )

 

এমনিভাবে রোযার নিয়ম নীতি পরিষ্কার ভাবে কোরআন হাদিসে বর্ণনা করা হয়েছে । আমরা কজন তা জানি বা জানতে চাই ।

 

আপনার রোযার নিয়ম নীতি কোরআন হাদিসের কোথায় আছে প্রশ্ন করলে বলতে পারেন না তাহলে শিরোনামের প্রশ্নটি কিভাবে মেনে চলেন !

 

যাকাত ও হজ্জ্ব-

যাকাত ও হজ্জ্ব সম্পদশালী ব্যক্তিদের জন্য । যাদের আল্লাহ পাক ধন সম্পদ দান করেছেন তা থেকে কোরআন ও হাদিস অনুসারে যাকাত দিবেন এবং হজ্জ্ব পালন করবেন ।

 

কারো মৌখিক কথা না শুনে কোরআন হাদিসের পূর্ণাঙ্গ দলিল নিয়ে তা মুল গ্রন্থের সাথে মিলিয়ে নিবেন যাতে আপনার ধন সম্পদে কোন রকম ভেজাল না থাকে ।

 

আমরা বেশী সংখ্যক লোকই সাধারন শিক্ষায় শিক্ষিত ।

 

আবার অনেকে বিভিন্ন রকম ব্যবসা, চাকুরী, সাংসারিক কাজে লিপ্ত থাকি ।

 

আমরা কোরআন হাদিস পড়ার বা দেখার খুব একটা সময় পাইনা । আমাদের ইবাদত বন্দেগীর সকল দলিল খুজে বের করা আমাদের জন্য সহজতর নয় ।

 

তাহলে আমরা কি করবো ?

 

আল্লাহ পাক পবিত্র কোরআনে বলেন,

জ্ঞানিদের জিজ্ঞেস কর যদি তোমাদের জানা না থাকে (নাহল, আয়াত ৪৩)

 

আমাদের সমাজে ধর্মীয় বিষয়ে কে বেশী জ্ঞানী ?

 

উত্তরে সকলেই বলে আমাদের মসজিদের ইমাম ।

 

তাকে আমরা জিজ্ঞাসা করব এবং কোরআন হাদিসের পূর্ণাঙ্গ দলিল নেব ।

 

উক্ত দলিল আমরা প্রতিদিন দশ, পনের মিনিট সময় করে বা ছুটির দিনে মুল গ্রন্থগুলোর সাথে মিলিয়ে নেব ।

 

এভাবেই আমরা আমদের সকল ইবাদত কোরআন হাদিস অনুসারে সঠিক করতে পারবো এবং শিরোনামের প্রশ্নটির বাস্তব সমাধান পাব । ইনশাআল্লাহ

 

যারা আমার পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করে আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে পরিচালিত করব । নিশ্চয় আল্লাহ সৎকর্মপরায়নদের সাথে আছেন (আনকাবুত, আয়াত ৬৩)

 

                                                                                              (চলবে)   

24 thoughts on “আপনি কি কোরআন হাদিস অনুযায়ী ইবাদত করেন ?!

  • June 10, 2013 at 4:42 pm
    Permalink

    বাস্তবতার সাথে মিল রেখে খুবি চমত্‍কার একটি পোস্ট ।আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই ।এভাবেই জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিন আমাদের মাঝে

    • June 11, 2013 at 7:42 am
      Permalink

      জাযাকাল্লাহু খাইরান ।

  • June 11, 2013 at 11:40 am
    Permalink

    সুন্দর কিছু কথা ফুটে উঠেছে আপনার পোস্টের মাধ্যমে।আল্লাহ আপনাকে উত্তম বিনিময় দিক।

    একটা বিষয় আমাদের জানা থাকা দরকার।কোরআন ও হাদিস থেকে আপনি সব কিছুর সমাধান পাবেননা।কিছু ক্ষেত্রে আমাদের নির্ভর করতে হয় আমাদের পুর্ববর্তি আলেমদের মতামতের উপর।এর কিছু কারণ আছে,যেমনঃ

    *একটা বিষয়ে বিরোধপুর্ন হাদিস পাওয়া গেলে তখন আমাদের জন্য দুইটা মানা অপ্রয়োজনীয় হয়ে যায়।যেহেতু দুইটা কাজ রাসুল সাঃ থেকে প্রমাণিত তাই এর জন্য সাহাবাদের দিকে আমাদের তাকাতে হয়।তারা কোনটা আমল করেছেন?আবার দেখা যায় একি বিষয়ে বিভিন্ন সাহাবারা বিভিন্ন আমল করেছেন।তখন আমাদের তাকাতে বিজ্ঞ সাহাবাদের দিকে।আর এগুলো বিশ্লেষন করেই একজন আলেম নতুন কোন বিষয়ে/বিরোধপুর্ন বিষয়ে ফতোয়া দেন।

    *এমন সমস্যা উদ্ভাবন হল,যা রাসুল সাঃ ও সাহাবীদের সময় ছিলনা তখন আমরা কি করব?এরজন্য আমাদের পুর্ববর্তি আলেমদের মতামতের দিকে দৃষ্টি দিতে হয়।

    *এমন কিছু কাজ বর্তমান সময়ে এসেছে যার নিষেধাজ্ঞা পবিত্র কোরআন ও হাদিসে সরাসরি পাওয়া যায়না।তখন আমরা কিভাবে এটা বাতিল বলব?এরজন্য আমাদের তাকাতে হবে বিজ্ঞ আলেমদের দিকে।

    *অনেক হারাম কাজ যুগের পরিবর্তনের কারনে জায়েজ হয়ে যায়।এই ফতোয়াগুলোও আলেমদের কাছ থেকে আসবে।

    ইসলামে কোন হুকুমের দলীলের জন্য চারটি উৎস রয়েছে।

    ১-কোরআন
    ২-হাদিস
    ৩-ইজমা
    ৪-কিয়াস

    • June 12, 2013 at 8:37 am
      Permalink

      *এমন কিছু কাজ বর্তমান সময়ে এসেছে যার নিষেধাজ্ঞা পবিত্র কোরআন ও হাদিসে সরাসরি পাওয়া যায়না।তখন আমরা কিভাবে এটা বাতিল বলব?এরজন্য আমাদের তাকাতে হবে বিজ্ঞ আলেমদের দিকে।

      ফারক ভাই, আপনার উপরের কথার সাথে আমি একমত নই ।

      আপনি কোন বিষয় কুরআন- হাদীসে পচ্ছেন না নতুন করে নিয়ম বানাতে হবে ??? !!!

  • June 12, 2013 at 10:49 am
    Permalink

    সত্যের/সাত্তার@আমি বলেছি,
    *এমন কিছু কাজ বর্তমান সময়ে এসেছে যার নিষেধাজ্ঞা পবিত্র কোরআন ও হাদিসে সরাসরি পাওয়া যায়না।তখন আমরা কিভাবে এটা বাতিল বলব?এরজন্য আমাদের তাকাতে হবে বিজ্ঞ আলেমদের দিকে। ”

    অনেক উদাহরন আছে।যেমনঃ
    ১-নামাজে মোবাইল বাজলে তার হুকুম কি?
    ২-মেমোরী কার্ডে কোরআন থাকলে তা নিয়ে টয়লেটে যাওয়া যাবে কিনা?
    ৩-টিভিতে প্রোগ্রাম করা যাবে কিনা?
    ৪-প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা আমাদের জন্য কতটুকু বৈধ?

    এমন আরো অসংখ্য আছে।আশা করি আমার কমেন্ট ভালো করে পড়বেন।

    • June 13, 2013 at 9:02 am
      Permalink

      রাসুল (সাঃ) এর নবুয়তের পর হতে আজ পর্যন্ত কেউ বলতে পারে নাই “সব কিছুর সমাধান কুরআন হাদিসে নাই”!
      আজকের পোষ্টটি দেখুন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ইমাম গণ কি ভাবে হাদীস মানতে বলেছে ।
      আপনি কি কুরআন -হাদীস আর কিয়াস কে ভিন্ন ভাবেন ?
      কিয়াস কাকে বলে ? কোন কিয়াস গ্রহনীয় আর কোণ কিয়াস বর্জনীয় জানেন কি ? পোশট আকারে জানাবো ইনশা-আল্লাহ !
      উদাঃ-ডায়বেটিস রোগিকে ডাঃ বলেছে চিনি খাবেন না । রোগি চিনি না খেয়ে রসগোল্লা, আখের রস, আখের গুড…ইত্যাদি বেশি করে খেল !!!
      কুরআন ও হাদিসের এমন অনেক শব্দ আছে যার ব্যখ্যা-বিশ্লেষণ ব্যপক । চিনির মত বুঝলে চলবেন না ।
      আপনার এ সকল প্রশ্নের সমাধান কমেন্টে নয়, পোষ্ট দিব । ইনশা-আল্লাহ

  • June 12, 2013 at 1:23 pm
    Permalink

    ওমর ফারুক সাহেব @ কোরআন হাদিসে এমন শব্দ বা বিষয় আছে যার ব্যাখ্যা কিয়ামত পর্যন্ত শেষ হবেনা ,
    সমস্ত বিষয়ই কোরআন হাদিসে সমধান আছে ,
    وَلَوْ أَنَّمَا فِي الْأَرْضِ مِنْ شَجَرَةٍ أَقْلَامٌ وَالْبَحْرُ يَمُدُّهُ مِنْ بَعْدِهِ سَبْعَةُ أَبْحُرٍ مَا نَفِدَتْ كَلِمَاتُ اللَّهِ ۗ إِنَّ اللَّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٌ
    পৃথিবীতে যত বৃক্ষ আছে, সবই যদি কলম হয় এবং সমুদ্রের সাথেও সাত সমুদ্র যুক্ত হয়ে কালি হয়, তবুও তাঁর বাক্যাবলী লিখে শেষ করা যাবে না। নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। ) সূরা লোকমান আয়াত নং 27

    নামাজরত অবস্থায় দুনিয়াবী কোন শব্দ করাও নিষেধ ,শুধু তাই নয় কোন বেক্তি যদি নামাজ অবস্থায় থাকে তার পাশে জোরে শব্দ করে কোরআন তেলওয়াতও নিষেধ ,আপনি কি এরকম কোন কোরআন ও হাদিসের দলিল পান নাই !!! সব কিছুরই কি নাম ধরে বলতে হবে ?
    আপনি বলছেন মেমোরী কার্ডে কোরআন থাকলে তা নিয়ে টয়লেটে যাওয়া যাবে কিনা ? আপনার এই রকম গাধা মার্কার প্রশ্নের উত্তর এই রূপ হতে পারে যাদের দেহের ভিতরে ত্রিশ পারা কোরআন আছে বা তাফসির ধারন করে তারা কি ভাবে প্রসাব পায়খানায় যায় !!! আপনার বাকি প্রশ্নের উত্তর বুঝে নিন

  • June 12, 2013 at 5:58 pm
    Permalink

    রুমি@মাশাআল্লাহ!খুব সুন্দর উত্তর দিয়েছেন।কমেন্ট বুঝে উত্তর দিলে ভালো হত।আমি বলেছি “সরাসরি” কোরআন ও হাদিসে এই উত্তরগুলো নেই।পোস্টের বিষয়বস্তু ছিল শুধু কোরআন ও হাদিস নিয়ে।আমি সাথে আরো কিছু যোগ করে বলেছি শুধু কোরআন ও হাদিস থেকে সব সমাধান সরাসরি পাওয়া যায়না।আপনি যে কথাগুলো বললেন তার কোথাও কি সরাসরি মোবাইলের কথা/এই নিয়ে কোন আলচোনা করা হয়েছে?অথবা কোরআন বা হাদিসে কোথাও কি আমি উপরে যা বলেছি তার সরাসরি কোন হুকুম বলা আছে?অবশ্যই না।এরজন্য বেছে নিতে হয়েছে কিয়াসকে।এইজন্য ইসলামের দলীলের অন্যতম উৎস হল কিয়াস।সাহাবায়ে কেরাম রাঃ অনেক বিষয়ে কিয়াস করে সমাধান দিতেন।

    আমি শুধু এই দিকটাই বুঝাতে চেয়েছি।দালায়েলের উৎস শুধু কোরআন ও হাদিস নয়।

  • June 12, 2013 at 6:18 pm
    Permalink

    আপনার কাছে আমি কিছু প্রশ্ন করছি আপনি কোরআন ও হাদিস থেকে উত্তর দিবেন আশা করি।

    আল্লাহ বলেন,

    الرَّحْمَٰنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَىٰ ﴿طه: ٥﴾

    الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَىٰ عَلَى الْعَرْشِ الرَّحْمَٰنُ فَاسْأَلْ بِهِ خَبِيرًا ﴿الفرقان: ٥٩﴾

    এখানে আল্লাহ বলেছেন এই কথা আর নিচের আয়াতগুলো কি বলছে দেখি।

    قوله تعالى {وَإِذَا سَأَلَكَ عِبَادِي عَنِّي فَإِنِّي قَرِيبٌ أُجِيبُ دَعْوَةَ الدَّاعِ إِذَا دَعَانِ}

    قوله تعالى {وَنَحنُ أَقرَبُ إِلَيهِ مِن حَبلِ الوَرِيدِ

    وَهُوَ مَعَكُمْ أَيْنَمَا كُنتُمْ }

    এখানে যে সমস্যা হয়েছে আপনি কোরআন ও হাদিস থেকে তার সমাধান দিন।

    আল্লাহ বলেন,
    كُلُّ مَنْ عَلَيْهَا فَانٍ

    وَيَبْقَىٰ وَجْهُ رَبِّكَ ذُو الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ

    উপরোক্ত আয়াতে বলা হয়েছে সব ধ্বংস হবে।
    তাহলে জান্নাত ও জাহান্নাম কি ধ্বংস হবে?কোরআন তাই বলছে।
    কোরআন ও হাদিস থেকে এর জবাব আশা করি।

    যদি কোন ব্যক্তি কোন মহিলার সাথে জিনা করে তাহলে তার মাকে সে বিয়ে করতে পারবে কিনা?
    কোরআন ও হাদিস থেকে এর জবাব দিন।

    দুই ব্যক্তি দুই নারীকে বিয়ে করল।ভুলে একজন অন্যজনের স্ত্রীর সাথে সহবাস করল।এখন এদের বিবাহিত জীবনের হুকুম কোরআন ও হাদিস থেকে দিন।

    • June 13, 2013 at 8:47 am
      Permalink

      এ গুলোর সমাধান কমেন্টে না লিখে পোষ্ট দিব । ইনশা-আল্লাহ । দেখে নিবেন……

  • June 12, 2013 at 7:46 pm
    Permalink

    আর আপনি যে আয়াত উল্লেখ করেছেন তা শাব্দিক ভুল আছে।আয়াতটি হবে-

    وَلَوْ اَنَّ مَا فِيْ الْأَرْضِ مِن شَجَرَةٍ أَقْلَامٌ وَالْبَحْرُ يَمُدُّهُ مِن بَعْدِهِ سَبْعَةُ أَبْحُرٍ مَّا نَفِدَتْ كَلِمَاتُ اللَّهِ

    লাও এরপর “আন্না আর মা আলাদা হবে”।

    • June 13, 2013 at 8:33 am
      Permalink

      ফারুক ভাই অনেক লাইব্রেরী, প্রকাশনীর কুরআনে এক সাথেও লিখা আছে । এতে সমস্যা নেই !

  • June 13, 2013 at 10:46 am
    Permalink

    সত্যের@ আপনি আরবি ব্যাকরণ বুঝেন কিনা আমার জানা নেই।”ইন্না” বা “আন্না” এর সাথে “মা” যুক্ত করলে তার অর্থ কি চেঞ্জ হয়?যদি فعل নাফিদাত এর পুর্বে মা না থাকত তাহলে সমস্যা হতোনা।কিন্তু যেহেতু ফেল এর পুর্বে “মা” তাই আন্না এর সাথে “মা” হবেনা, আলাদা হবে।বাংলাদেশে কোরআনের যে প্রকাশনীগুলি আছে তারা মারাত্মক ভুল করে।আপনি হেফয কোরআন শরিফের সাথে মিলিয়ে দেখেন তাহলে বুঝতে পারবেন।

    আর আপনি আমার কমেন্ট ভালো করে পড়েছেন কিনা জানিনা,নাকি ইচ্ছে করেই সেই দিকে নজর দিচ্ছেননা?আমি বলেছি,এমন অনেক বিষয় আছে যার সমাধান কোরআন ও হাদিসে স্পষ্ট নাই।এই কথা বুঝানোর জন্যই আমি উপরের কমেন্টগুলো করেছি।উপরের সমাধানগুলো আলহামদুলিল্লাহ আমার জানা আছে।

    আপনি কোন ক্লাসে পড়েন আর কোথায় পড়েন তা জানতে চাই।এর উপর ভিত্তি করে উত্তর আসবে ইনশাআল্লাহ।

    • June 13, 2013 at 7:00 pm
      Permalink

      না ভাই আমি আপনার মত জ্ঞানী নই । আমি মৃত্যুর পূর্ব প্ররযন্ত ইসলামের ছাত্র । এই ইসলামিক বিষয় নিয়ে সামান্য ঘাটাঘাটী করি । আপনার সকল উত্তর আমার পোষ্টের বিষোয়ের উপর ভিত্তি করেই জানাবেন । জাযাকাল্লাহু খাইরান !

  • June 13, 2013 at 12:02 pm
    Permalink

    sotter @ আমার মনে হয় আপনি ও ওমর ফারুক হেলাল ভাই দুজনই ঠিক । শুধু আপনাদের মাঝে যে ভুল বুঝা-বুঝি তা হলো – আপনি বলছেন কোরআন হাদিসে সকল বিষয়েরই সমাধান আছে আর ওমর ফারুক ভাই বলতে চেয়েছেন সকল বিষয়েরই সমাধান আছে তবে কিছু কিছু বিষয় সরিসরি বা পস্ট করে নেই ।
    ” আমাদের মধ্যে যারা আলেম/ঈমাম তারা সহজেই কোরআন হাদিসের আলোকে নতুন অপস্ট বিষয় গুলির সমাধান দিতে পারেন । যেমন আপনি উদাহরন দিলেন ডাক্তার চিনি নিষেধ করলে চিনির তৈরী রসগোল্লাও নিষেধ হবে এটা আলেম / জ্ঞানীরা সহজেই বুঝতে পারবে । কিন্তু সাধারন মানুষদের জন্য ডাক্তরকে চিনির সাথে সাথে চিনিযুক্ত খাবারগুলিও উল্লেখ করতে হয় । কিছু কিছু খাবার আছে যাতে সামান্য পরিমান চিনি থাকে এটা রোগী খেতে পারবে কিনা তার জন্য কয়েকজন ডাক্তার একত্র হয়ে হয়ে সিদ্ধান্ত নেন আমার মনে হয় এটাই কিয়াস ”
    জায়াকাল্লাহ !

  • June 13, 2013 at 12:58 pm
    Permalink

    ওমর ফারুক হেলাল@ ভাই আপনার প্রথমটির উত্তর ,

    যেখানে আল্লাহ বলেছেন আমি নিকটে তার প্রকিত ব্যাখ্যা হল এই যে তিনি তার জ্ঞান ও ক্ষমতার দিক দিয়ে সর্বত্র বিরাজমান সত্তা গত দিক দিয়ে নয়। কুরআন এ মোট ৭ জায়গায় মহান আল্লাহ বলেছেন তিনি আরশ সমাসীন। তার ক্ষমতা সর্বত্র। দলিল নিন।
    (১) আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
    إِنَّ رَبَّكُمْ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ
    “নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ। তিনি আকাশ-যমিনকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশের উপরে সমুন্নত হয়েছেন। (সূরা আ’রাফঃ ৫৪)
    (২) আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
    إِنَّ رَبَّكُمْ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ
    “নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ। তিনি আকাশ-যমিনকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশের উপরে সমুন্নত হয়েছেন”। (সূরা ইউনূসঃ ৩)
    (৩) আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
    اللَّهُ الَّذِي رَفَعَ السَّمَاوَاتِ بِغَيْرِ عَمَدٍ تَرَوْنَهَا ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ
    “আল্লাহই ঊর্ধŸদেশে আকাশমন্ডলী স্থাপন করেছেন বিনা স্তম্ভে। তোমরা এটা দেখছো। অতঃপর তিনি আরশের উপরে সমুন্নত হয়েছেন”। (সূরা রা’দঃ ২)
    (৪) আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
    الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى
    “দয়াময় আল্লাহ আরশের উপরে সমুন্নত হয়েছেন”। (সূরা তোহাঃ ৫)
    (৫) আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
    ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ الرَّحْمَانُ
    “অতঃপর তিনি আরশের উপরে সমুন্নত হয়েছেন”। তিনি পরম দয়াময়। (সূরা ফুরকানঃ ৫৯)
    (৬) আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
    اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ
    “আল্লাহই আকাশ-যমিন এবং এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সকল বস্তু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশের উপরে সমুন্নত হয়েছেন”। (সূরা সাজদাহঃ ৫৪)
    ৭) আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
    هُوَ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ
    “আল্লাহই আকাশ-যমিনকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তিনি আরশের উপরে সমুন্নত হয়েছেন। (সূরা হাদীদঃ ৪)
    উপরোক্ত প্রত্যেক স্থানেই (استوى على العرش) “ইসতাওয়া আলাল আরশি” বাক্যটি ব্যবহার করেছেন। আমরা যদি আরবী ভাষায় ইসতিওয়া শব্দটি অনুসন্ধান করতে যাই তবে দেখতে পাই যে, (استوى) শব্দটি সব সময় (على) অব্যয়ের মাধ্যমে ব্যবহার হয়ে থাকে। আর (استوى) শব্দটি এ ভাবে ব্যবহার হলে ‘সমুন্নত হওয়া’ এবং ‘উপরে হওয়া’ ব্যতীত অন্য কোন অর্থে ব্যবহার হয় না। সুতরাং الرَّحْمَنُ عَلَىْ العَرْشِ اسْتَوَى এবং এর মত অন্যান্য আয়াতের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, আল্লাহ সৃষ্টি জগতের উপরে সমুন্নত হওয়া ছাড়াও আরশের উপরে বিশেষ একভাবে সমুন্নত। প্রকৃতভাবেই আল্লাহ আরশের উপরে। আল্লাহর জন্য যেমনভাবে সমুন্নত হওয়া প্রযোজ্য, তিনি সেভাবেই আরশের উপরে সমুন্নত। আল্লাহর আরশের উপরে হওয়া এবং মানুষের খাট-পালংক, সিংহাসন, যানবাহন ও নৌকায় আরোহনের সাথে কোন সামঞ্জস্যতা নেই। আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ
    وَجَعَلَ لَكُمْ مِنْ الْفُلْكِ وَالْأَنْعَامِ مَا تَرْكَبُونَ لِتَسْتَوُوا عَلَى ظُهُورِهِ ثُمَّ تَذْكُرُوا نِعْمَةَ رَبِّكُمْ إِذَا اسْتَوَيْتُمْ عَلَيْهِ وَتَقُولُوا سُبْحانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنقَلِبُونَ
    “তিনি তোমাদের আরোহনের জন্য সৃষ্টি করেন নৌযান ও চতুষ্পদ জন্তু যাতে তোমরা তার উপর আরোহণ করতে পার, তারপর তোমাদের প্রতিপালকের অনুগ্রহ স্মরণ কর যখন তোমরা ওর উপর স্থির হয়ে বস এবং বলঃ পবিত্র ও মহান তিনি, যিনি এদেরকে আমাদের জন্য বশীভূত করেছেন, যদিও আমরা সমর্থ ছিলাম না এদেরকে বশীভূত করতে। আর আমরা আমাদের প্রতিপালকের নিকট প্রত্যাবর্তন করবো।” (সূরা যুখরুফঃ ১২-১৪) সুতরাং মানুষের কোন জিনিষের উপরে উঠা কোন ক্রমেই আল্লাহর আরশের উপরে হওয়ার সদৃশ হতে পারে না। কেননা আল্লাহর মত কোন কিছু নেই।
    যে ব্যক্তি বলে যে, আরশের উপরে আল্লাহর সমুন্নত হওয়ার অর্থ আরশের অধিকারী হয়ে যাওয়া, সে প্রকাশ্য ভুলের মাঝে রয়েছে। কেননা এটা আল্লাহর কালামকে আপন স্থান থেকে পরির্বতন করার শামিল এবং ছাহাবী এবং তাবেয়ীদের ইজমার সম্পূর্ণ বিরোধী। এ ধরণের কথা এমন কিছু বাতিল বিষয়কে আবশ্যক করে, যা কোন মুমিনের মুখ থেকে উচ্চারিত হওয়া সংগত নয়। কুরআন মাজীদ আরবী ভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে। আল্লাহ বলেনঃ
    إِنَّا جَعَلْنَاهُ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لَعَلَّكُمْ تَعْقِلُونَ
    “আমি এই কুরআনকে আরবী ভাষায় অবতীর্ণ করেছি যাতে তোমরা বুঝতে পার।” (সূরা যুখরুফঃ ৩) আরবী ভাষায় ইসতাওয়া শব্দের অর্থ ‘সমুন্নত হওয়া’ এবং ‘স্থির হওয়া’। আর এটাই হল ইসতিওয়া শব্দের আসল অর্থ। সুতরাং আল্লাহর বড়ত্বের শানে আরশের উপর যেভাবে বিরাজমান হওয়া প্রযোজ্য, সেভাবেই তিনি বিরাজমান। যদি ইসতিওয়ার (সমুন্নত হওয়ার) অর্থ ইসতিওলা (অধিকারী) হওয়ার মাধ্যমে করা হয়, তবে তা হবে আল্লাহর কালামকে পরিবর্তন করার শামিল। আর যে ব্যক্তি এরূপ করল, সে কুরআনের ভাষা যে অর্থের উপর প্রমাণ বহণ করে, তা অস্বীকার করল এবং অন্য একটি বাতিল অর্থ সাব্যস্ত করল।
    তাছাড়া “ইসতিওয়া” এর যে অর্থ আমরা বর্ণনা করলাম, তার উপর সালাফে সালেহীন ঐকমত্য (ইজমা) পোষণ করেছেন। কারণ উক্ত অর্থের বিপরীত অর্থ তাদের থেকে বর্ণিত হয়নি। কুরআন এবং সুন্নাতে যদি এমন কোন শব্দ আসে এবং সালাফে সালেহীন থেকে সে শব্দের প্রকাশ্য অর্থ বিরোধী কোন তাফসীর বর্ণিত না পাওয়া যায়, তবে সে ক্ষেত্রে মূলনীতি হল উক্ত শব্দকে তার প্রকাশ্য অর্থের উপর অবশিষ্ট রাখতে হবে এবং তার মর্মার্থের উপর ঈমান রাখতে হবে।
    যদি প্রশ্ন করা হয় যে, সালাফে সালেহীন থেকে কি এমন কোন কথা বর্ণিত হয়েছে যা প্রমাণ করে যে, “ইসতাওয়া” অর্থ আরশের উপরে সমুন্নত হয়েছেন? উত্তরে আমরা বলব হ্যাঁ, অবশ্যই তা বর্ণিত হয়েছে। যদি একথা ধরে নেয়া হয় যে, তাঁদের থেকে এর প্রকাশ্য তাফসীর বর্ণিত হয়নি, তবেও এ সমস্ত ক্ষেত্রে সালাফে সালেহীনের নীতি হল, কুরআন এবং সুন্নাহর শব্দ যে অর্থ নির্দেশ করবে, আরবী ভাষার দাবী অনুযায়ী শব্দের সে অর্থই গ্রহণ করতে হবে।
    ইসতিওয়ার অর্থ ইসতিওলা দ্বারা করা হলে যে সমস্ত সমস্যা দেখা দেয়ঃ
    ১) ইসতিওলা অর্থ বল প্রয়োগ করে কোন বস্তুর মালিকানা হাসিল করা। তাই استوى (ইসতিওয়া)এর অর্থ استولى (ইসতিওলা)এর মাধ্যমে করা হলে অর্থ দাঁড়ায়, আকাশ-যমিন সৃষ্টির পূর্বে আল্লাহ আরশের মালিক ছিলেন না, পরে শক্তি প্রয়োগ করে মালিকানা হাসীল করেছেন। (নাউযুবিল্লাহ) আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ
    إِنَّ رَبَّكُمْ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ
    “নিশ্চয়ই তোমাদের প্রতিপালক হলেন সেই আল্লাহ যিনি ছয় দিনে আকাশ এবং জমিন সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর আরশের উপরে সমুন্নত হলেন।” (সূরা আরাফঃ ৫৪)
    ২) الرحمن على العرش استوى“র্আ-রাহমানু আ’লাল আরশিস্ তাওয়া” অর্থ যদি ইস্তাওলার মাধ্যমে করা শুদ্ধ হয় তাহলে একথাও বলা শুদ্ধ হবে যে, (الله استوى على الأرض) অর্থাৎ আল্লাহ জমিনের অধিকারী হয়ে গেলেন। এমনিভাবে অন্যান্য মাখলুকাতের ক্ষেত্রেও একই ধরণের কথা প্রযোজ্য। এ ধরণের অর্থ আল্লাহর শানে শোভনীয় নয়।
    ৩) এটি আল্লাহর বাণীকে তার আপন স্থান থেকে সরিয়ে দেয়ার শামিল।
    ৪) এ ধরণের অর্থ করা সালাফে সালেহীনের ইজমার পরিপন্থী। তাওহীদুল আসমা ওয়াস্ সিফাতের ক্ষেত্রে মূল কথা এই যে, আল্লাহ নিজের জন্য যে সমস্ত নাম ও গুণাবলী সাব্যস্ত করেছেন, কোন পরিবর্তন, বাতিল বা ধরণ-গঠন কিংবা দৃষ্টান্ত পেশ করা ছাড়াই তার প্রকৃত অর্থের উপর ঈমান আনয়ন করা আমাদের উপর ওয়াজিব।

  • June 13, 2013 at 1:09 pm
    Permalink

    ওমর ফারুক হেলাল@ভাই আপনি বলেছেন এই আয়াতের শাব্দিক ভূল আছে ,আপনি কোন প্রিন্টের কোরআন পড়েন আমি জানি না ,আমি সৌদি প্রিন্ট পড়ি , আর আপনি বলছেন শাব্দিক ভূল তা কি করে হয় !!! আজ পর্যন্ত কেউই কি বলেছে শাব্দিক ভূল আছে । দলিল সহ প্রমান দেখান ?
    وَلَوْ أَنَّمَا فِي الْأَرْضِ مِنْ شَجَرَةٍ أَقْلَامٌ وَالْبَحْرُ يَمُدُّهُ مِنْ بَعْدِهِ سَبْعَةُ أَبْحُرٍ مَا نَفِدَتْ كَلِمَاتُ اللَّهِ ۗ إِنَّ اللَّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٌ
    পৃথিবীতে যত বৃক্ষ আছে, সবই যদি কলম হয় এবং সমুদ্রের সাথেও সাত সমুদ্র যুক্ত হয়ে কালি হয়, তবুও তাঁর বাক্যাবলী লিখে শেষ করা যাবে না। নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। ) সূরা লোকমান আয়াত নং 27 –

  • June 13, 2013 at 1:17 pm
    Permalink

    রুমি@অনেক ধন্যবাদ!আল্লাহ আপনাকে উত্তম বিনিময় দিক।আপনি যা এতক্ষন বললেন তা কি সরাসরি কোরআনে আছে?এখানে মতবিরোধপুর্ন দু রকম আয়াত রয়েছে।তাহলে ঐ আয়াতগুলোর কি হবে?আপনি এখানে সলফে সালেহীনের কথা উল্লেখ করেছেন মাশাআল্লাহ।যদি কোরআন ও হাদিস থেকে সব পেয়ে থাকেন তাহলে সলফে সালেফীনের উদ্বৃতি কেন দিলেন?
    আমি আপনাদের ২জনকে এই একটা বিষয় বুঝাতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছি।আপনারা কোরআন ও হাদিস থেকে সকল সমস্যার সমাধান আছে বলে উল্লেখ করেছেন।আমি বলেছি আমরা সকল বিষয় কোরআন ও হাদিস থেকে সরাসরি পাইনা।এখন আপনি যেহেতু দলীল হিসেবে পুর্ববর্তি আলেমদের কথা উল্লেখ করলেন তারমানে আপনি বুঝতে পেরেছেন কোরআন ও হাদিসে সকল বিষয়ের সরাসরি সমাধান পাওয়া যায়না।কিছু ক্ষেত্রে আলেমদের মন্তব্য আমাদের অনুসরণ করতে হয়।

  • June 13, 2013 at 1:24 pm
    Permalink

    এই কমেন্টগুলোর দ্বারা নিশ্চিত হলাম আপনারা ২জনি=১জন।একই ব্যক্তি ২ আইডি থেকে কমেন্ট করছেন।যাক আমার জন্য সুবিধা হল।আপনি এমদাদীয়া লাইব্রেরীর কোরআন থাকলে তা দেখুন।আমিও দেখব সৌদি প্রিন্টে কিভাবে লিখেছে।

    অনেক অমুসলিম বলেছে কোরআনে শাব্দিক ভুল রয়েছে,।কোন মুসলমান তা বলেনা বা স্বীকার করেনা।কিন্তু কোন ছাপাখানা যদি কোরআন শরিফের ভুল শব্দ লিখে তাহলে তার জন্য দলীল হল মুল কোরআন।বাংলাদেশে অসংখ্য লাইব্রেরী আছে যারা কোরআনের ছাপাতে প্রচুর ভুল করেছে।একজন হাফেজ হিসেবে আমি ভালো করে জানি এবং দেখেছি।এমনকি বাংলা অনুবাদ করতে গিয়েও অনেক ভুল করেছে।

    • June 13, 2013 at 6:40 pm
      Permalink

      আপনার ধারণা ভুল । অংকেও ভুল ২=১ হয় না ।

  • June 13, 2013 at 1:56 pm
    Permalink

    জি না ভাই ভূল বুঝেছে আমি আমিই মানে এক জনই , আর অমুসলিমরা কি বলে আর না বলে তা আমার দেখার বিষয় নয় ,বাংলাদেশে (print mistake) হতে পারে । আচ্ছা যাই হক আপনি সৌদি ছাপা কোরআন দেখে নিবেন ইনশা-আল্লাহ কোন সমস্যা পাবেন না ,সমধান পেয়ে যাবেন । ধন্যবাদ

  • June 13, 2013 at 2:26 pm
    Permalink

    জ্বি ভাই/বোন@আপনাকে ধন্যবাদ!সৌদি প্রিন্টে দেখলাম আপনার মত করেই দেওয়া আছে।তবে ব্যাকরণের দৃষ্টিতে এমন হওয়ার কথা নয়।দেখি আমি এই নিয়ে আমার কোন ওস্তাদের সাথে কথা বলব।তখন যদি মনে থাকে তাহলে আপনাকে জানাব।

    আমার মুল উদ্দেশ্য ছিল,আপনাদেরকে বুঝানো যে ইসলামের দলীলের উৎস ৪ টি-আশা করি আপনারা দুজনেই বুঝতে পেরেছেন।কোন ভুল হলে ক্ষমা করবেন।আর রুমি ভাই/বোন!কাউকে সহজেই গাধার সাথে তুলনা করা উচিৎ নয়।আগে দেখে নিবেন তার কথাগুলো।আল্লাহ আমাদেরকে মাফ করুন।

  • June 14, 2013 at 9:59 am
    Permalink

    সত্যের@খালি খালি তর্ক করতে আমার ভালো লাগেনা।
    প্রত্যেকটা কমেন্ট এমনভাবে করা হয়েছে যে,যে কাউ দেখলে বলবে এরা ২=১ জন।আপনাকে আমি আগে বলেছিলাম আপনার পড়ালেখা সম্পর্কে আমাকে জানাতে।আপনি জানালেননা,তাই অনেক কিছু আপনাকে বলতে চাই আবার বলতেও পারিনা।

    ২=১ এটা কি কোন অংক?সমান চিহ্নের মানে কি?সমান চিহ্ন দিয়ে কি বুঝানো হয়?

    আপনার ঘাটাঘাটি করাকে স্বাগত জানাই।তবে মুল জানতে চাইলে ভালো হত।আল্লাহ আপনাকে আমাকে দ্বীনের উপর অটল রাখুক মৃত্যু পর্যন্ত।আমিন

Leave a Reply