ফরজ গোসল কি এবং ফরজ গোসল করার পদ্ধতি ।

আসসালামু আলাইকুম, কেমন ‍আছেন সবাই। আজ আপনাদের সাথে যা শেয়ার করব তা প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক নর ও নারীর জানা অপরিহার্য। যদি ও আমি আপনি সবাই জানি, তারপরও লিখার উদ্দেশ্য হল যদি অজানা কোন ভাই থাকে তবে হয়তবা তার উপকার হতে পারে। সূতরাং যারা আমরা জানি এই পোষ্ট তাদের জন্য নয়, যারা জানি না তাদের জন্য। এবার মূল বিষয়ে যাওয়া যাক :

ফরয গোসল : ঐ গোসলকে বলা হয়, যা করা অপরিহার্য। বালেগ বয়সে নাপাক হলে অর্থাৎ কারো স্বপ্নদোষ হলে বা স্বামী-স্ত্রীর মিলনে গোসল ফরয হয়। যেমন- আল্লাহ বলেন:

 وَ إِنْ كُنْتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوْا

অর্থ: যদি তোমরা নাপাক হয়ে থাক, তবে গোসল কর। সূরা মায়েদাহ – ৬) ।

গোসলের পদ্ধতি : ফরয গোসলের জন্য প্রথমে দু’হাতের কব্জি পর্যন্ত ধুবে ও পরে নাপাকী ছাফ করবে। অতঃপর ‘বিসমিল্লাহ’ বলে ছালাতের ওযূর ন্যায় ওযূ করবে। অতঃপর প্রথমে মাথায় তিনবার (৩ অঞ্জলি) পানি ঢেলে চুলের গোড়ায় খিলাল করে ভালভাবে পানি পৌঁছাবে। তারপর সারা দেহে পানি ঢালবে ও গোসল সম্পন্ন করবে।

[মুত্তাফাক্ব ‘আলাইহ, মুসলিম, মিশকাত হা/৪৩৫]

জ্ঞাতব্য : (১) গোসলের সময় মেয়েদের মাথার খোপা খোলার দরকার নেই। কেবল চুলের গোড়ায় তিনবার তিন চুল্লু পানি পৌঁছাতে হবে। অতঃপর সারা দেহে পানি ঢালবে।

(২) রাসূল (সা:) এক মুদ্দ (৬২৫ গ্রাম) পানি দিয়ে ওযূ এবং অনধিক পাঁচ মুদ্দ (৩১২৫ গ্রাম) বা প্রায় সোয়া তিন কেজি পানি দিয়ে গোসল করতেন। প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি অপচয় করা ঠিক নয়।

(৩) নারী হৌক পুরুষ হৌক সকলকে রাসূলুল্লাহ (সা:) পর্দার মধ্যে গোসল করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

(৪) ওযূ সহ গোসল করার পর ওযূ ভঙ্গ না হ’লে পুনরায় ওযূর প্রয়োজন নেই।

(সূত্রঃ ছালাতুর রাসূল ছাঃ বই)

আজ এ পর্যন্তই। আমি মানুষ, সুতরাং আমারও ভুল হতে পারে, যদি কোন ভুল-ত্রুটি থাখে তো দেথিয়ে দিবেন। সুধরে নিবার চেষ্টা করব। আবার দেখা হবে অন্য কোন দিন, অন্য কোন বিষয় নিয়ে। সেই পর্যন্ত আল্লাহ হাফেজ।

One thought on “ফরজ গোসল কি এবং ফরজ গোসল করার পদ্ধতি ।

  • October 16, 2012 at 9:36 am
    Permalink

    ধন্যবাদ আপনাকে ! জানার মধ্য থেকে ও কিছু জানলাম ।

Leave a Reply