জশনে জুলুশ,হাজীর নাজীর,ছবি তোলা এবং ভিডিও করা।

আস্সালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ
নিম্নের কয়েকটি মাসআলার উপর আপনাদের ফাতওয়া বিভাগ থেকে শরীয়তের আলোকে

সুত্র সহকারে সমাধান দিলে চির কৃতজ্ঞ থাকবো।
১) শরীয়তের আলোকে ঈদে-মীলাদুন্নবী ও জশনে জুলুশের বাস্তবতা কী ?
২) নবী হাজীর নাজীর কি না ? এবং তিনি কিসের তৈরী নুরের না মাটির ?
৩) তিনি গায়েব জানেন কি না ?
৪) ছবি তোলা এবং ভিডিও করা শরীয়তের আলোকে তার বাস্তবতা কী ?
সকল পশ্নের উত্তর জানালে উপকৃত হবো।
নিবেদক
মুহাম্মদ ফোরকান মাহমুদ চট্টগ্রাম।
উত্তর:
১নং প্রশ্নের উত্তর: ঈদে-মীলাদুন্নবী তথা রাসূল স. এর জম্ম দিবসকে উপলক্ষ করে প্রতি বছর রবিউল আউয়াল মাসে,

বিশেষ করে ১২ তারিখে আনন্দ-উল্লাস,মিছিল-মিটিং,জশনে জুলুস ও ঈদ উদযাপন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

কেননা কোন একটি জিনিষকে আমলরূপে গ্রহণ করার জন্য শরীয়তের দলিল চতুষ্টের সমর্থণ জরুরী। অথচ এ ব্যাপারে কোন দলিলই পাওয়া যায় না।

পাশাপাশি ইসলামের স্বর্ণযুগ বলে খ্যাত তিন যুগ (সাহাবা, তাবেয়ীন, তাবে তাবিয়ীনদের যুগ) এবং পরবর্তী চার মাযহাবের ইমামগণের সময়ে এ আমল ছিল না।
বর্তমান প্রচলিত ঈদে-মীলাদুন্নবী স. পালন কুরআন-সুন্নাহর পাশাপাশি সাধারণ যুক্তিরও বিপরীত।
১) আমরা জানি ইসলামে ঈদ দুটি , অথচ মীলাদুন্নবী স. উপলক্ষে নতুন আরেকটি ঈদ আবিস্কার করা হচ্ছে।
২) ঘটনাচক্রে যদি কোন ব্যক্তির জম্ম ও মৃত্যু তারিখ মিলে যায় তাহলে কোন বুদ্ধিমান এবং পিতাপ্রেমীক সন্তানের পক্ষে সম্ভব নয় ঐদিনে আনন্দ-উল্লাস করা।

রাসুল স. এর জম্ম ১২তারিখে হওয়ার ব্যপারে সংশয় থাকলেও ১২তারিখে তার মৃত্যু সর্বসম্মত ভাবে স্বীকৃত, তাহলে নবী প্রেমিকগণ কিভাবে আনন্দ করবে ?
৩) মূলত: প্রচলিত পদ্ধতিতে মীলাদুন্নবী উদযাপনের বিষয়টিই অযৌক্তিক, কেননা এখানে দু’টি জিনিষ লক্ষণীয় (১) দিবস.(২) তারিখ।

মীলাদুন্নবী দিবস হল সোমবার আর তারিখ ১২ই রবিউল আউয়াল। এখন ১২তারিখ ঠিক রাখতে গেলে সোমবার ঠিক রাখা সম্ভব নয়, কেননা প্রতি বছর ১২ই রবিউল আউয়াল সোমবার হয় না।
সুতরাং ঈদে মীলাদুন্নবী নামে প্রচলিত কাজ সমূহ বর্জণীয়।
রেফারেন্সঃ

( *মিশকাত শরীফ-খঃ১ পৃঃ ২৭ *ফাতওয়ায়ে মাহমুদিয়া মুদাল্লাল-খঃ৫ পৃঃ৩৯২.)

২প্রশ্নের সমাধানবঃ-সর্বত্র হাজির-নাজির থাকা একমাত্র আল্লাহ তায়ালার সিফাত।

কোন নবী বা ওলী সব জায়গায় হাজির-নাজির হতে পারেন না। আল্লাহর সিফাতের সাথে বান্দাকে মিলানো কুফর ও র্শিক।

এ ধরণের বিশ্বাস দ্বারা ঈমান চলে যায়। রাসূল স. যে হাজির-নাজির নন তা কুরআন-হাদিস দ্বারা প্রমানিত।
আল্লাহ তায়ালা বলেন ঃ অর্থ -আর আপনি তো তাদেও কাছে (হাজির) ছিলেন না, যখন তারা প্রতিযোগিতা করছিল,

কে প্রতিপালন করবে মারয়ামকে, এবং আপনি তাদেও কাছে ছিলেন না যখন তারা ঝগড়া করেছিল। (সূরা আলে ইমরান-৪৪)
রাসূল স. বলেন ঃ অর্থ জমিনে বিচরণকারী আল্লাহ তায়ালার একদল ফিরিস্তা রয়েছেন

যারা আমার উম্মতের পক্ষ থেকে আমার নিকট (দরুদ) ছালাম পৌছিয়ে দেয়। (নাসাঈ শরীফ-১/১৪৩)
আমাদের প্রিয় নবী স. মানব ছিলেন। ইসলামের দলিল চতুষ্ট তথা: কুরআন,হাদীস,ইজমা,কিয়াস দ্বারা প্রমাণিত।
আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ অর্থ-বলুন! পবিত্র মহান আমার পালনকর্তার, একজন মানব,একজন রাসূল বৈ আমি কে ? (সূরা-বনী ইসরাঈল:৯৩)
অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন ঃ অর্থ- আমি মানুষকে মাটির সারংশ হতে সৃষ্টি করেছি।(সূরা-মু’মিন: ১২)
উল্লেখিত প্রথম আয়াত দ্বারা প্রমাণিত হয় রাসূল স. মানব ছিলেন। আর দ্বিতীয় আয়াত দ্বারা প্রমাণিত হয় মানুষ মাটির তৈরী।

সুতরাং আয়াত দু’টি দ্বারা প্রমাণিত যে, রাসূল স. মাটির তৈরী ছিলেন।
রাসূল স. যা বলেন ঃ অর্থ- নিশ্চয় আমি একজন মানুষ। (বোখারী শরীফ-১/৩৩২)
আর এর বিপরীত কোন ভিন্ন মত ফোকাহা ও মুফাস্সিরীনদের মধ্যে না থাকায় এ কথার উপর ইজমা প্রমাণিত হয়। বুঝা গেল রাসূল স. মানুষ ও মাটির তৈরী ছিলেন।

কিয়াস দ্বারাও প্রমাণিত রাসূল স. মাটির তৈরী ছিলেন।
কিয়াস হল: রাসূলের মাতা মানব ও মাটির তৈরী ছিলেন। রাসূলের নিকট মানবীয় সমস্ত গুনাবলী বিদ্যমান ছিল। যা একথার সুস্পষ্ট প্রমাণ রাসূল স. মানব ও মাটির তৈরী।
রেফারেন্সঃ
(*সূরা কাসাস:৪৪. *সূরা-কাহাফ:১১১. *মুসলিম শরীফ-২/৩২৪. *তাফসীরে মাজহারী-৫/৪২৮. *ফাতওয়ায়ে হিন্দিয়া-২/২৬৬. *ফাতওয়ায়ে মাহমুদিয়া-৩/২০০.)

ওমর ফারুক হেলাল

তেমন কেউ না,একজন ছাত্র।মাদ্রাসায় পড়ালেখা করছি ভালো আলেম হওয়ার আশায়।পাশাপাশি দ্বীনে কিছু কাজের সাথে জড়িত আছে পরকালীন মুক্তির নেশায়। আল্লাহ আমাকে কবুল করুক। আমীন

4 thoughts on “জশনে জুলুশ,হাজীর নাজীর,ছবি তোলা এবং ভিডিও করা।

  • April 7, 2013 at 7:34 am
    Permalink

    ৩ এবং ৪ নং প্রশ্নের উত্তর কি পরে লিখবেন ভাই?

  • February 6, 2014 at 9:58 pm
    Permalink

    >> নূরে মুহাম্মাদী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সৃষ্টি রহস্য ও প্রকৃতি।ইতিহাস। পর্ব-১

    আমি প্রথমেই পবিত্র সূরা মায়েদার একটি আয়াত বলতে চাই

    “ক্বদ জা-আকুম মিনাল্লাহি নূরুউওয়া কিতাবুম মুবিন”

    অর্থঃ- আল্লাহর পক্ষ হতে তোমাদের নিকট আগমন করেছে নূর এবং সু-স্পষ্ট কিতাব।

    **এই নূরে ব্যাখ্যায় তাফসীরে জালালাইন ও তাফসীরে রুহুল বয়ানে বলা হয়েছে, নূর দ্বারা রাসূল পাক (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও কিতাব দ্বারা পবিত্র আল-কুরআন কে বুঝানো হয়েছে।

    অনাদি অনন্ত স্বত্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যখন িএকা ও অপ্রকাশিতছিলেন তখন তার অত্ন প্রকাশেন সাধ ও ইচ্ছা জাগরিত হলো। তখন তিনি একক হিসেবে নবী কনিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পবিত্র নূর মুবারক সৃষ্টি করলেন এবং নাস রাখলেন মুহাম্মাদ ।

    {কানজুদ্দাকায়েক-ইমাম গাজ্জালী (রহঃ)}

    সেই নূরে মুহাম্মাদীর সৃষ্টি রহস্য ও প্রকৃতি সম্পর্কে স্বয়ং নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মারফু মুত্তাসিল হাদীসের মাধ্যমে পরিস্কার ব্যাখ্যা করে গেছেন। উক্ত হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে জাবের ইনে আবদুল্লাহ (রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) কতৃক। উক্ত হাদীসটি প্রথম সংকলিত হয়েছে “মোসন্নেফ আব্দুর রাজ্জাক” নামক হাদীস গ্রন্থে। মুহাদ্দিস আবদুর রাজ্জাক ছিলেন হযরত ইমাম বুখারী (রহঃ) এর দাদা ওস্তাদ এব ইমাম মালেক (রহঃ) এর শাগরিদ। পরবর্তীতে উক্ত গ্রন্থ হতে অনেক হাদীস বিশারদগণ নিজ নিজ গ্রন্থে হাদীসখানা সংকলিত করেছেন। যেমন- ইমাম কাসতুলানী (রহঃ) তার রচিত নবী(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জীবনি গ্রন্থ “মাওয়াহেবে লাদুন্নিয়্যায়” উক্ত হাদীসখঅনা সংকলন করেছেন। মিশরের আল্লামা ইউসুফ নাবহানী াতর রচিত আনওয়ারে মুহাম্মাদীয়া নামক আরবী গ্রন্থেও উক্ত হাদীসখানা উল্লেখ করেন। নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সৃষ্টি সম্পর্কে এই হাদীসখানা স্বব্যাখ্যাত এবং বিস্তারিত। তাই বিজ্ঞ পাঠকের সামনে আমি উক্ত হাদীসখানা অনুবাদ সহকারে তুলে ধরছি।

    অর্থঃ- ইমাম আবদুর রাজ্জাক মুয়াম্মার হতে, তিনি ইবনে মুনকাদার হতে, তিনি হযরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ আনসারী (রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) হতে বর্ণনা করেছেনঃ হযরত জাবের (রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) বলেন আমি আরজ করলাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ! আমার উপর আমার পিতা মাতা উৎসর্গ হউক, আল্লাহ তায়ালা সর্ব প্রথম কোন বস্ত সৃষ্টি করেছেন? তদুত্তরে নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন-”হে জাবের, আল্লাহ তায়ালা সর্ব প্রথম সমস্ত বস্তুর পূর্বে তার নিজ নূর হতে তোমার নবীর নূর সৃষ্টি করেছেন। তারপর আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছানুযায়ী ঐ নূর (লা-মাকানে) পরিভ্রমণ করতে থাকে। কেননা ঐ সময়ে না ছিল লাওহে মাহফুজ, না ছিল কলম,না ছিল বেহেস্ত, না ছিল দোযখ, না ছিল ফিরিস্তা, না ছিল আকাশ, না ছিল পৃথিবী, না ছিল সূর্য, না ছিল চন্দ্র, না ছিল জ্বীন জাতি, না ছিল মানবজাতি। অতঃপর যখন আল্লাহতায়ালা অন্যান্য বস্তু সৃষ্টি করার মনস্থ করলেন তখন আমার ঐ নূরকে চারভাগে বিভক্ত করে প্রথমভাগ দিয়ে কলম, দ্বিতীয়ভাগ দিয়ে লাওহে-মাহফুয এবং তৃতীয়ভাগ দিয়ে আরশ সৃষ্টি করলেন। অবশিষ্ট এক ভাগকে আবার জচার ভাগে বিভক্ত করে প্রথম ভাগ দিয়ে আরশ বহনকারী ফিরিস্তা , দ্বিতীয় অংশ দিয়ে কুরসি এবং তৃতীং অংশ দিয়ে অন্যান্য ফিরিস্তা সৃষ্টি করলেন। দ্বিতীয় চার ভাগের এক ভাগকে আবার চার ভাগে বিভক্ত করে প্রথমভাগ দিয়ে আকাশ , দ্বিতীয় ভাগ দিয়ে জমিন এবং তৃতীয় ভাগ দিয়ে বেহেস্ত ও দোযখ সৃষ্টি করলেন। তৃতীয়বার অবশিষ্ট এক ভাগকে পুনরায় চার ভাগে বিভক্ত করে প্রথম ভাগ দিয়ে মুমিনের নয়নের নূর, দ্বিতীয়ভাগ দিয়ে মুমিনদের কলবের নূ- তথা আ্ল্লাহর মা’রেফাত এবং তৃতীয়ভাগ দিয়ে মুমিনের মহব্বতের নূর তথা তাওহীদি কালিমা “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ” সৃষ্টি করলেন। (২৫৬ ভাগের এক ভাগ দিয়ে অন্যান্য সৃষ্টিজগত সৃষ্টি করলেন।

    – মাওয়াহেবে লাদুনিয়্যাহ ও মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক-(আল জুয্‌উল মাফকুদ অংশ)

    ব্যাখ্যাঃ- উক্ত হাদীসে বর্ণিত “মিন-নূরিহী” বা তার “নিজ নূর” হতে শব্দটির ব্যাখ্যায় বিশ্ব বিখ্যাত আল্লামা হযরত মোল্লা আলী ক্বারী (রহঃ) মিরকাত শরীফে লিখেছেন- “আয়-মিন লামআতে নূরিহী”- অর্থাৎ- আল্লাহ তায়ালা তার আপন যাতি নূরের জ্যোতি দিয়ে নবীজীর নূর সৃষ্টি করেছেন।

    #মুজাদ্দেদে জামান আলফেসানী (রহঃ) মাকতুবাত শরীফের ৩য় খন্ড ১০০ নম্বরের মাকতুবে বলেছেন “আল্লাহ তায়ালা তাহাকে স্বীয় খাস নূর দ্বারা সৃষ্টি করেছেন”।

    #হযরত যারকানী (রহঃ) “মিন-নূরিহী” এর ব্যাখ্যায় বলেছেন – “মিন নূরিন হুয়া যাতুহু”

    অর্থাৎ আল্লাহর যাত বা স্বত্বা হলো নূর-সেই যাতি নূরের জ্যোতি হতেই মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নূরের সৃষ্টি” এবং হযরত আশরাফ আলী থানবীও একই ব্যাখ্যা দিয়েছেন তার “নশরুত ত্বীব” গ্রন্থের ৫ম পৃষ্ঠায়।

    #অন্য এক হদীসে হযরত আলী ইবনে হোসাইন ইবনে আলী (রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) তার পিতা ও দাদার সূত্রে নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেন

    অর্থঃ- আমি আদম সৃষ্টির চৌদ্দ হাজার বৎসর পূর্বে আমার প্রতিপালকের নিকট নূর হিসেবে বিদ্যমান ছিলাম।

    (উল্লেখ্য যে ঐ জগতের একদিন পৃথিবীর এক হাজার বৎসরের সমান। অংকের হিসাবে ৫১১০০০০০০০ বৎসর হয়।

    -বিদায়া ও নিহায়া এবং আনওয়ারে মুহাম্মাদীয়া গ্রন্থসূত্রে এই হাদীসখানা উদ্ধৃত করা হয়েছে।)

    আজ এই পর্যন্ত। সকলেই কমেন্ট করবেন। দেখা হবে আগামী পর্বে। আসসালামু আলাইকুম।

  • February 13, 2014 at 7:46 am
    Permalink

    ভাই,পড়ে বুঝলাম আপনি অনেক কষ্ট করে লেখেছেন।আচ্ছা আপনি যে হাদিস গুলো উল্লেখ করেছেন এর সনদ কোথায়?না শুধু মুখে হাদিস বললেই হাদিস হয়ে যায়।আপনি বিভিন্ন আল্লাহর ওলিদের উক্তি নিয়ে এসেছেন।মনে রাখা উচিত,আল্লাহর অলীদের কথা আমাদের জন্য দলীল নয়।আপনি কোরান+হাদিস থেকে প্রমাণ করুন যে,রাসুল (সাঃ) নূরের তৈরি ছিলেন।
    তাছাড়া আপনি যে আয়াত শরিফ উল্লেখ করেছেন তা তো আমরাও মানি এর দ্বারা রাসুল উদ্দেশ্য।তাই বলে এই নুর দ্বারা এখানে কি রাসুল (সাঃ)নুরের তৈরি বলা হয়েছে?নূর অর্থ আলো।রাসুল (সাঃ) বিশ্ববাসীর জন্য আল।তার এই হেদায়েতি আলোতে উদ্ভাসিত হয়েই সমগ্র জাহান হেদায়েতের রঙ্গে রঙ্গিন হয়েছে।মোট কথা এই আয়াতে পাক দ্বারা রাসুল যে নূরের তৈরি তা প্রমাণিত হয়না।পক্ষান্তরে কোরানের অসংখ্য জায়গায় রাসুলকে মানুষ বলে উল্লেখ করেছেন আল্লাহ তায়ালা।তাহলে আল্লাহ কি রাসূলের সম্মান নষ্ট করলেন?(নাউযুবিল্লাহ)অথচ তিনি নিজেই তার সম্মানের রক্ষক বলে ঘোষনা করেছেন।

    আর আপনি যে হাদিসগুলো এখানে উল্লেখ করেছেন তার প্রত্যেকটা হাদিস জাল।আরো জানতে চাইলে মুফতি আব্দুল মালেক সাহেবের “প্রচলিত জাল হাদিস” পড়তে পারেন।

Leave a Reply