শ্বশুর বাড়ির লোকদের সহিত আচার-ব্যবহার (দ্বিতীয় খণ্ড)

বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালই আছেন? আমিও আপনাদের দোয়ায় অনেক ভাল আছি। তাহলে কাজের কথায় আসি।

 

প্রথম পর্ব যারা পড়েন নি, তারা এখান থেকে পড়তে পারেন।

 

প্রথম পর্বের পরে।

তোমাকে যদি কেহ জিজ্ঞাসা করে যে, “তোমার শ্বশুর কোথায় গেছেন? তদুত্তরে বল যে, “অমুক স্থানে তশ্রীফ নিয়া গেছেন।” যদি কেহ জিজ্ঞাসা করেন “অমুক বিষয়ে তোমার শ্বশুর কি বলিয়াছেন? তদুত্তরে ‍তুমি বল যে, “তিনি এরূপ ফরমাইয়াছেন।” তাঁহাকে আরাম পৌঁছানের এবং তাঁহার খেদমতের যথাসাধ্য চেষ্টা কর। কোন উৎসবে যোগদান করিতে হইলে কিংবা কোন বান্ধবীর সহিত সাক্ষাতের প্রয়োজন হইলে নিজের শ্বশুর ও স্বামীর নিকট হইতে অনুমতি লও। তাঁহারা যদি উপস্থিত না থাকেন তবে শ্বাশুড়ির কাছে অনুমতি চাও। যদি অনুমতি দেন, তবে যাও, নতুবা যাইও না। যদি কোন উৎসবে যাইতে বলেন, তোমার মন না চাইলেও যাও। কেননা খোদা না করুন! ইহাতো সম্ভব নহে যে, তোমাকে এমন স্থানে যাইতে বলিলেন যেখানে শরীঅত বিরোধী কোন কাজ হয়। যে বাড়িতে বা মজলিসে শরীঅত বিরোধী কাজ হয়, তথায় যাওয়া নিষেধ।

 

তাহলে আজ এ পর্যন্তই।

পরবর্তি খণ্ড নিয়ে খুব তারাতারিই আপনাদের মাঝে হাজির হবে ইনশাআল্লাহ্

ভাল লাগলে কমেন্টে জানাতে ভুলবে না…

ভুলে ভরা জীবনে ভুল হওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়,যদি আমার লেখার মাঝে কোন ভুলত্রুটি থাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ সবাই ভাল থাকবেন।

মোঃ আবুল বাশার

আমি একজন ছাত্র,আমি লেখাপড়ার মাঝে মাঝে একটা ছোট্ট পত্রিকা অফিসে কম্পিউটার অপরেটর হিসাবে কাজ করে,নিজের হাত খরচ চালানোর চেষ্টা করি, আমি চাই ডিজিটাল বাংলাদেশ হলে এবং তাতে সেই সময়ের সাথে যেন আমিও কিছু শিখতে পারি। আপনারা সকলে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরার চেষ্টা করুন এবং অন্যকেও ৫ওয়াক্ত নামাজ পরার পরামর্শ দিন। আমার পোষ্ট গুলো গুরে দেখার জন্য ধন্যবাদ, ভাল লাগেলে কমেন্ট করুন। মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে,ভুল ত্রুটি,হাসি,কান্না,দু:খ,সুখ,এসব নিয়েই মানুষের জীবন। ভুলে ভড়া জীবনে ভুল হওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়,ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃর্ষ্টিতে দেখবেন। আবার আসবেন।

Leave a Reply