ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের আহব্বান

 

বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম

 

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সাবাই? আশা করি ভালই আছেন? আমিও আপনাদের দোয়ায় অনেক ভাল আছি। তাহলে কাজের কথায় আসি।

সবাই শুদু ফ্রি ফ্রি নেট ব্যবহার করতে চায়, আর চারদিক শুদু এটা নিয়ে হাহাকার আমার কাছে অধিক টিউন আছে, যা দ্বারা 9999999999999999999999999999999999999% ফ্রি নেট ব্যবহার করা যায়, কিন্তু আমি যানি, এটা ফ্রি ব্যবহার করা ঠিক না, এটা ইসলামের দৃষ্টিতে অপরাধ, এবং এখন যতটুকু নেট ফ্রি ব্যবহার করব ততটুকুই কেয়ামতের দিন হিসাব দিতে হবে। তাই আমার কাছে থাকলেও আমি ব্যবহার করি না, এবং কেহ চাইলেও দেই না, কারন আমার দ্বারা যদি কেহ এই গুনাহের কাজে লিপ্ত হয়, তাহলে তার একটি সমপরিমান গুনা আমারও হবে, তাই এটা চাইলেও আমি কাহেও হেল্প করি না। হাদীস শরীফে আসছে সকল পাওনাদাররা কেয়ামতের দিন এক কানাকরিও ছাড়বে না।  এবং সেদিন এমন অবস্থা হবে, যদি কেহ এক আনাও পায় সেই একআনার বিনিময় আল্লাহর কাছে অভিযোগ করতে পারবে, বলবে আল্লাহ আমি ওর কাছে দুনিয়াতে থাকা অবস্থায় একআনা পাইতাম যা ও পরিশোধ করে নাই, এখন এই একআনার বিনিময় আমি ওর নেকি চাই, সেদিন কি অবস্থা হবে? সেদিন নিজের মাও একটি নেকি দিবে না, এবং সে মা/সন্তান হিসাবে পরিচয়ও দিবে না, সেদিন যদি এই রকম নেকি চলে যায় তাহলে কোন উপায় নেই আবার আরো হাদীসে আসছে নবী কারিম (সঃ) বলেছেন, সাহাবাদের সাথে, কেয়ামতের দিন কিছু লোক পাহাড় পরিমান নেকি নিয়ে ওঠবে, কিন্তু সেও জাহান্নামে যাবে, তখন সাহাবারা জিজ্ঞাস করিলেন ইয়া রাসুলাল্লাহ কেন? তখন সে বলেছেন, সে ভাল কাজ করেছে ঠিকই এবং আল্লাহর কাছে তা কবুলও হয়েছে কিন্তু সে দুনিয়াতে দেনাদার/অন্যের হক নষ্ট/বিভিন্ন ধরনের ঋণি থাকবে, কিন্তু সেদিন একআনাও কেহ ছাড়বে না, তখন সেই এক আনার বিনিময়ও আল্লাহর কাছে অভিযোগ করবে, আল্লাহ আমার এই একআনার বিনিময়, আমি যতটুকু নেকি পেতে পারি তা ওর নেকি থেকে আমাকে দান করুন, আল্লাহ তায়ালা তখন সেই নেকি দান করবে, এই রকম একের পর এক আসবে আর নেকি নিয়ে যাবে, এই রকম দিতে দিতে দেখা যাবে তার পাহাড় পরিমান নেকিও শেষ, তখন ফেরেশতারা বলবে আল্লাহ এরনেকি তো শেষ, কিন্তু এরপর পাওনাদাররা এখনও আছে, এখন কি দিব? তখন আল্লাহ বলবেন তাহলে সেই পাওনাদারদের যে গুনা আছে, তা ওর আমল নামায় দিয়ে ওকে জাহান্নামে পাঠাও (নাইজুবিল্লাহ)। তাই আমি চাইনা এই দুনিয়াতে কারে হক নষ্ট করতে, এই দুনিয়াতে নেট ব্যবহার করতে কতটাকাই বা খরচ হয়? তাহলে দুই একশত টাকার জন্য কেন আমি এই মূল্যবান নেকি দিব? যদি টাকা না থাকে তাহলে কিছুদিন নেট ব্যবহার করা বন্ধ রাখব, যেদিন পারি টাকার ব্যবস্থা করে নেট ব্যবহার করব। আবার অনেকের মন্তব্য আসতে পারে, তাহলে যে গ্রামীন ওরা মানুষের রক্ত চুষে খায় তাহলে তাদের তা যদি আমি খাই সমস্যা কি? এখানে আমি বলব, আমাদের যেমন হিসাব দিতে হবে, কেয়ামতের দিন, তাদেরও তেমনিই হিসাব দিতে হবে। তাই যদি এটা কেহ বিবেগ দিয়ে চিন্তা করেন, এবং কেয়ামত/হাসর এই গুলো বিশ্বাস করেন তাহলে তাদের এটা ব্যবহার করতে আমি নিষেধ/অনুরোধ করি।

ভাল লাগলে কমেন্টে জানাতে ভুলবে না…

ভুলে ভরা জীবনে ভুল হওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়,যদি আমার লেখার মাঝে কোন ভুলত্রুটি থাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ সবাই ভাল থাকবেন।

 

মোঃ আবুল বাশার

আমি একজন ছাত্র,আমি লেখাপড়ার মাঝে মাঝে একটা ছোট্ট পত্রিকা অফিসে কম্পিউটার অপরেটর হিসাবে কাজ করে,নিজের হাত খরচ চালানোর চেষ্টা করি, আমি চাই ডিজিটাল বাংলাদেশ হলে এবং তাতে সেই সময়ের সাথে যেন আমিও কিছু শিখতে পারি। আপনারা সকলে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরার চেষ্টা করুন এবং অন্যকেও ৫ওয়াক্ত নামাজ পরার পরামর্শ দিন। আমার পোষ্ট গুলো গুরে দেখার জন্য ধন্যবাদ, ভাল লাগেলে কমেন্ট করুন। মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে,ভুল ত্রুটি,হাসি,কান্না,দু:খ,সুখ,এসব নিয়েই মানুষের জীবন। ভুলে ভড়া জীবনে ভুল হওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়,ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃর্ষ্টিতে দেখবেন। আবার আসবেন।

3 thoughts on “ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের আহব্বান

  • February 27, 2013 at 12:01 am
    Permalink

    চমৎকার লিখেছেন, আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে অপরের হক নষ্ট করা থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

  • March 22, 2013 at 10:42 am
    Permalink

    আসসালামু আলাইকুম । কাল যখন এই পোস্ট পড়েছিল তখন আমি ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার করতাম। এখন মন্তব্য লেখছি টাকা দিয়ে ইন্টারনেট কিনে । আপনার লেখাটি আমার বিবেককে জাগিয়ে তুলেছে । আমার জন্য দোয়া করবেন যেন ছোট বড় সকল প্রকার গুনা থেকে বেঁচে থাকতে পারি । আমীন

Leave a Reply