শ্বশুর বাড়ির লোকদের সহিত আচার-ব্যবহার (প্রথম খণ্ড)

বিসমিল্লাহির রহমানীর রহিম

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালই আছেন? আমিও আপনাদের দোয়ায় অনেক ভাল আছি। তাহলে কাজের কথায় আসি।

 

বড়দের সহিত ব্যবহারঃ নিজের স্নেহময়ী মাতার ন্যায় প্রত্যেক কাজে শাশুড়ির আদব করিও এবং সর্বাবস্থায় তাঁহার সন্তুষ্টি অগ্রহণ্য মনে করিও তোমার যতই কষ্ট বা আরাম হউক না কেন, কিন্তু তাঁহার মর্জির বিপরীত এক পা-ও আগে বাড়াইও না। মুখে এমন কোন কথা উচ্চারণ করিও না, যাহাতে তাঁহার কষ্ট হয়। তাহার সাথে যখন কথা বল কিংবা তাঁহাকে যখন সম্বোধন কর তখন নিজের সমকক্ষদের সাথে যেইরূপ সম্বোধন কর সেইরূপ করিও না। বরং মুরব্বীদের জন্য যে শব্দ প্রয়োগ করা উচিৎ তাহাই ব্যবহার কর। তোমার শাশুড়ি যদি কোন কাজে তোমাকে তাম্বীহ্ করেন, তবে উহা নীরবে শুন; যদিও মনে বিপরীত এবং কটু কথাও বলেন, যাহা আশা করা যায় না তবুও সু-স্বাদু শরবতের ন্যায় অনায়াসে পান কর-সহ্য কর। খবরদার! কস্নিন কালেও কঠোরভাবে প্রতি উত্তর করিও না। নিজের মায়ের সমতুল্য তাঁহার খেদমত কর। তিনি যদি অন্য কাহাকেও কোনকাজের আদেশ করেন, তৎক্ষণ সে কাজ তুমি নিজেই করিয়া ফেল। মেহেরবান পিতার ন্যায় শ্বশুরের তা’যীম ও শ্রদ্ধা কর। শাশুড়ির সহিত কথাবার্তা বলার যে আদব কায়দা লিখিয়াছি, শ্বশুরের বেলায়ও সে দিকে লক্ষ্য রাখ।

 

 

তাহলে আজ এপর্যন্তই।

 

পরবর্তি খণ্ড নিয়ে খুব তারাতারিই আপনাদের মাঝে হাজির হবে ইনশাআল্লাহ্

ভাল লাগলে কমেন্টে জানাতে ভুলবে না…

ভুলে ভরা জীবনে ভুল হওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়,যদি আমার লেখার মাঝে কোন ভুলত্রুটি থাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ সবাই ভাল থাকবেন।

মোঃ আবুল বাশার

আমি একজন ছাত্র,আমি লেখাপড়ার মাঝে মাঝে একটা ছোট্ট পত্রিকা অফিসে কম্পিউটার অপরেটর হিসাবে কাজ করে,নিজের হাত খরচ চালানোর চেষ্টা করি, আমি চাই ডিজিটাল বাংলাদেশ হলে এবং তাতে সেই সময়ের সাথে যেন আমিও কিছু শিখতে পারি। আপনারা সকলে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরার চেষ্টা করুন এবং অন্যকেও ৫ওয়াক্ত নামাজ পরার পরামর্শ দিন। আমার পোষ্ট গুলো গুরে দেখার জন্য ধন্যবাদ, ভাল লাগেলে কমেন্ট করুন। মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে,ভুল ত্রুটি,হাসি,কান্না,দু:খ,সুখ,এসব নিয়েই মানুষের জীবন। ভুলে ভড়া জীবনে ভুল হওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়,ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃর্ষ্টিতে দেখবেন। আবার আসবেন।