হাদীস (পর্ব-৩১)

পরম করুনাময় আল্লাহ্ এর নামে শুরু করলাম

 

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালই আছেন, আমি ও আমরা আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহ্র অশেষ রহমতে অনেক ভাল আছি।বেশি হাদীস দেই না, কারন আমার মত অনেক লোক আছে, যারা বেশি লেখা দেখলে সেটা পড়তে চায় না, তাই অল্প কয়েকটা হাদীস দিলাম, যারা যত ব্যস্তই থাকুক এই অল্প কয়টি হাদীস পড়ে নিতে পারবে, এবং অল্প হবার কারনে মনে রাখতে পারবে আবার তা আমল করারও চেষ্টা করবে।

 

 

পর্ব এক     পর্ব ০২     পর্ব ০৩     পর্ব ০৪     পর্ব ০৫     পর্ব ০৬     পর্ব ০৭

পর্ব ০৮     পর্ব ০৯     পর্ব ১০     পর্ব-১১     পর্ব-১২     পর্ব-১৩     পর্ব-১৪

পর্ব ১৫     পর্ব ১৬     পর্ব-১৭     পর্ব-১৮     পর্ব-১৯     পর্ব-২০     পর্ব-২১

পর্ব-২২     পর্ব-২৩     পর্ব-২৪     পর্ব-২৫     পর্ব-২৬     পর্ব-২৭     পর্ব-২৮

পর্ব-২৯     পর্ব-৩০

————————————————————————————————————————-

হাদীসঃ হযরত ইয়ালা ইবনে সাদ্দাদ (রাযিঃ) বলেন, আমার পিতা হযরত সাদ্দাদ (রাযিঃ) এই ঘটনা বর্ননা করিয়াছেন এবং হযরত উবাদা (রাযিঃ) যিনি সেই সময় ‍উপস্থিত ছিলেন উক্ত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করিয়াছেন যে, একবার আমরা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে উপস্থিত ছিলাম। রাসূলুল্লাহ (সঃ) জিজ্ঞাসা করিলেন, কোন অপরিচিত ব্যক্তি (অমুসলিম) এই মজলিসে আছে কি? আমরা বলিলাম, কেহ নাই। তিনি এরশাদ করিলেন, দরজা বন্ধ করিয়া দাও। অতঃপর এরশাদ করিলেন, তাহ উঠাও এবং বল, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ। আমরা কিছুক্ষণ হাত উত্তোলন করিয়া রাখিলাম (এবং কালিমায়ে তাইয়্যেবাহ পড়িলাম)। অতঃপর তিনি নিজ হাত নামাইলেন এবং বলিলেন, “আলহামদুলিল্লাহ” হে আল্লাহ, আপনি আমাকে এই কালেমা দিয়া প্রেরণ করিয়াছেন এবং আমাকে ইহার (কালেমার তবলীগ করার) হুকুম করিয়াছেন এবং এই কালেমার উপর জান্নাতের ওয়াদা করিয়াছেন। আর আপনি ওয়াদা ভঙ্গকারী নহেন।” অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সঃ) আমাদেরকে বলিলেন, আনন্দিত হও, আল্লাহ তায়ালা তোমাদেরকে ক্ষমা করিয়া দিয়াছেন। (মুসনাদে আহমাদ, তাবরানী, বাযযার, মাজমায়ে যাওয়ায়েদ)

—————————————————————————————————————————-

হাদীসঃ হযরত মিকদাদ ইবনে আসওয়াদ (রাযিঃ) বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এই এরশাদ করিতে শুনিয়াছি যে, জমিনের উপর কোন শহর, গ্রাম, মরুভূমির এমন কোন ঘর অথবা তাঁবু বাকী থাকিবে না যেখানে আল্লাহ তায়ালা ইসলামের কালিমাকে দাখিল না করিবেন। যাহারা মানিবে তাহাদিগকে কলেমা ওয়ালা বানাইয়া ইজ্জত দান করিবেন। যাহারা মানিবে না তাহাদেরকে অপদস্থ করিবেন। অতঃপর তাহারা মুসলমানাদের অধীনস্থ হইয়া থাকিবে।( মুসনাদে আহমাদ)

—————————————————————————————————————————

ভাল লাগলে কমেন্টে জানাতে ভুলবে না…

ভুলে ভরা জীবনে ভুল হওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়,যদি আমার লেখার মাঝে কোন ভুলত্রুটি থাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ সবাই ভাল থাকবেন।

মোঃ আবুল বাশার

আমি একজন ছাত্র,আমি লেখাপড়ার মাঝে মাঝে একটা ছোট্ট পত্রিকা অফিসে কম্পিউটার অপরেটর হিসাবে কাজ করে,নিজের হাত খরচ চালানোর চেষ্টা করি, আমি চাই ডিজিটাল বাংলাদেশ হলে এবং তাতে সেই সময়ের সাথে যেন আমিও কিছু শিখতে পারি। আপনারা সকলে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরার চেষ্টা করুন এবং অন্যকেও ৫ওয়াক্ত নামাজ পরার পরামর্শ দিন। আমার পোষ্ট গুলো গুরে দেখার জন্য ধন্যবাদ, ভাল লাগেলে কমেন্ট করুন। মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে,ভুল ত্রুটি,হাসি,কান্না,দু:খ,সুখ,এসব নিয়েই মানুষের জীবন। ভুলে ভড়া জীবনে ভুল হওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়,ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃর্ষ্টিতে দেখবেন। আবার আসবেন।

Leave a Reply