হাদীস (পর্ব-২৬)

পরম করুনাময় আল্লাহ্ এর নামে শুরু করলাম

 

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালই আছেন, আমি ও আমরা আপনাদের দোয়ায় এবং আল্লাহ্র অশেষ রহমতে অনেক ভাল আছি।বেশি হাদীস দেই না, কারন আমার মত অনেক লোক আছে, যারা বেশি লেখা দেখলে সেটা পড়তে চায় না, তাই অল্প কয়েকটা হাদীস দিলাম, যারা যত ব্যস্তই থাকুক এই অল্প কয়টি হাদীস পড়ে নিতে পারবে, এবং অল্প হবার কারনে মনে রাখতে পারবে আবার তা আমল করারও চেষ্টা করবে।

 

 

পর্ব এক     পর্ব ০২     পর্ব ০৩     পর্ব ০৪     পর্ব ০৫     পর্ব ০৬

পর্ব ০৭     পর্ব ০৮     পর্ব ০৯     পর্ব ১০     পর্ব-১১     পর্ব-১২

পর্ব-১৩     পর্ব-১৪     পর্ব ১৫     পর্ব ১৬     পর্ব-১৭     পর্ব-১৮

পর্ব-১৯     পর্ব-২০     পর্ব-২১     পর্ব-২২     পর্ব-২৩     পর্ব-২৪

পর্ব-২৫

——————————————————————————————————————

হযলত জাবের বিন আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হইতে বর্নিত আছে যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সঃ)মের সহিত সেই জিহাদে শরীক ছিলেন, যাহা নাজদ অভিমুখে হইয়াছিল। যখন রাসূলুল্লাহ (সঃ) জিহাদ হইতে ফিরিয়া আসিলেন তখন তিনিও তাঁহার সহিত ফিরিলেন। (ফেরার পথে এই ঘটনা ঘটিল) সাহাবা (রাযিঃ) দুপুরের সময় বাবলা গাছে ভরা এক ময়দানে পৌঁছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সঃ) সেখানে বিশ্রাম লওয়ার জন্য থামিলেন। সাহাবায়ে কেরাম (রাযিঃ) গাছের ছায়ার তালাশে এদিক সেদিক ছড়াইয়া পড়িলেন। রাসূলুল্লাহ (সঃ) ও আরাম করিবার জন্য বাবলা গাছের নিচের জায়গা লইলেন এবং গাছের সহিত নিজের তরবারীটি ঝুলাইয়া রাখিলেন। আমরাও কিছু সময়ের জন্য (বিভিন্ন গাছের ছায়াতে) ঘুমাইয়া পড়িলাম। হঠাৎ (আমরা শুনিতে পাইলাম যে, ) রাসূলুল্লাহ (সঃ)  আমাদের ডাকিতেছেন। (যখন আমরা সেখানে পৌঁছিলাম) তখন তাঁহার নিকট এজন গ্রাম্য কাফের উপস্থিত ছিল। রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলিলেন, আমি ঘুমাইতেছিলাম, এমতাবস্থায় সে আমার উপর আমারই তরবারী উত্তোলন করিয়াছে। জাগ্রত হইয়া দেখিলাম আমার খোলা তরবারীটি তাহার হাতে রহিয়াছে। সে আমাকে বলিল, তোমাকে আমার হাত হইতে কে বাঁচাইবে? আমি তিনবার বলিলাম, আল্লাহ

রাসূলুল্লাহ (সঃ) সেই গ্রাম্য লোকটিকে কোন শাস্তি দিলেন না এবং উঠিয়া বসিয়া গেলেন। (বোখারী)

—————————————————————————————————————————

ভাল লাগলে কমেন্টে জানাতে ভুলবে না…

ভুলে ভরা জীবনে ভুল হওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়,যদি আমার লেখার মাঝে কোন ভুলত্রুটি থাকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ সবাই ভাল থাকবেন।

মোঃ আবুল বাশার

আমি একজন ছাত্র,আমি লেখাপড়ার মাঝে মাঝে একটা ছোট্ট পত্রিকা অফিসে কম্পিউটার অপরেটর হিসাবে কাজ করে,নিজের হাত খরচ চালানোর চেষ্টা করি, আমি চাই ডিজিটাল বাংলাদেশ হলে এবং তাতে সেই সময়ের সাথে যেন আমিও কিছু শিখতে পারি। আপনারা সকলে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরার চেষ্টা করুন এবং অন্যকেও ৫ওয়াক্ত নামাজ পরার পরামর্শ দিন। আমার পোষ্ট গুলো গুরে দেখার জন্য ধন্যবাদ, ভাল লাগেলে কমেন্ট করুন। মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে,ভুল ত্রুটি,হাসি,কান্না,দু:খ,সুখ,এসব নিয়েই মানুষের জীবন। ভুলে ভড়া জীবনে ভুল হওয়াটা অসম্ভব কিছু নয়,ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃর্ষ্টিতে দেখবেন। আবার আসবেন।

Leave a Reply