আসুন দেখি পবিত্র আল-কুরআন কাদের জন্য?

প্রত্যেক যুগেই একটি কিতাব অবতীর্ণ হয়েছিল (রাদ আয়াত ৩৮); নিশ্চয়ই পূর্ববর্তী লোকদের জন্য প্রেরিত কিতাবে এর (কুরআন) নাম উল্লেখ করা হয়েছে (আশশুরা আয়াত ১৯৬)
এ পৃথিবীতে সৃষ্টিকর্তা অসংখ্য আসমানী কিতাব পাঠিয়েছেন । এর মধ্যে ৪ খানা আসমানী কিতাবের নাম পবিত্র কুরআনে উল্লেখ আছে-তাওরাত, যাবুর, ইঞ্জিল ও কুরআন ।
যা (কুরআন) মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্য পথযাত্রীদের জন্য সুস্পষ্ট পথনির্দেশ আর ন্যায় ও অন্যায়ের মধ্যে পার্থক্য বিধানকারী (বাক্বারা আয়াত ১৮৫); এটা (কুরআন) মানুষের একটি সংবাদ নামা (ইবরাহীম আয়াত ৫২); আমি আপনার প্রতি সত্য ধর্মসহ কিতাব (কুরআন) নাযিল করেছি মানুষের কল্যাণ কল্পে (যুমার আয়াত ৪১); আলিফ-লাম-রা । আমি আপনার নিকট এমন একটি কিতাব (কুরআন) অবিতীর্ন করেছি যা দ্বারা আপনি মানব জাতিকে ঘন অন্ধকার হতে আলোর পথে নিয়ে আসতে পারেন । তাদের কল্পিত প্রভুকে ত্যাগ করে সে প্রভূর পথে যিনি পরাক্রমশালী এবং চির প্রশংসিত (ইবরাহীম আয়াত ১); এটা মানব জাতির জন্য প্রেরিত বানী । যাতে এর দ্বারা তাদেরকে সতর্ক করা যায় এবং তাদেরকে এ তথ্য প্রদান করা যায় যে, নিশ্চয়ই তিনি একমাত্র মাবুদ এবং এর থেকে জ্ঞানীরা উপদেশ গ্রহন করতে পারে (ইবরাহীম আয়াত ৫২)
আমিই (আল্লাহ) উপদেশ (সম্বলিত কুরআন) নাযিল করেছি আমিই (সৃষ্টিকর্তা) উহার সংরক্ষণকারী (হিজর আয়াত ৯)
ইসলাম ধর্মের সমালোচক উইলিয়াম মেয় দুইশ বছর আগে বলেছেন-“শুধুমাত্র যে গ্রন্থটা অবিকৃত রয়েছে সেটা হলো কুরআন । ১২শ বছর ধরে ।”
যারা তাদের ধর্মগ্রন্থ পরিবর্তন করেছে বা নিজ হাতে কিতাব লিখে বলে এটা স্রষ্টার পক্ষ থেকে তাদের সম্পর্কে পবিত্র কুরআন বলে-অতএব তাদের জন্য আফসোস! যারা নিজ হাতে গ্রন্থ লেখে এবং বলে, এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ-যাতে এর বিনিময়ে সামান্য অর্থ গ্রহন করতে পারে । অতএব তাদের প্রতি আক্ষেপ, তাদের হাতের লেখার জন্য এবং তাদের প্রতি আক্ষেপ, তাদের উপার্জনের জন্যে (বাক্বারা আয়াত ৭৯)
অতএব কুরআন কোন জাতির একার নয় বরং এটা সমগ্র সৃষ্টি জগতের জন্য ।

Leave a Reply