পবিত্র আল-কুরআনের চ্যালেঞ্জ! – (০৫)

brr copyআসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ বন্ধুরা এবং সালাম জানাই আমার গুরুদের ।কেমন আছেন আপনারা সবাই ?আশা করি আল্লাহ্ অশেষ রহমতে আপনারা সবাই ভালো আছেন এবং আমি দোয়া করি সবাই ভালো থাকুন আর ভালো রাখুন আপনার পিতা-মাতা এবং আপনার আশে-পাশের সকলকে ।

যারা গত পোষ্টটি পড়েন নি এখান থেকে পড়ে নিন  পবিত্র আল-কুরআনের চ্যালেঞ্জ! – (০৪)

“সূর্য ছুটে চলেছে তার জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যের দিকে যা পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ কতৃক নির্ধারিত” (সূরা ইয়াসিন ঃ ৩৮) “তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে করেছেন নিয়মাধীন প্রত্যেকে আবর্তন করে এক নির্ধারিত কাল” (আল রাদঃ২) “সূর্য নি¯প্রভ হয়ে যাবে” (তাকবীর ঃ ১)
(এখনকার দিনের বিজ্ঞানের ছাত্রদের কাছে এ ব্যাপারগুলো খুবই পরিষ্কার।)

“তিঁনিই(আল্লাহ)স্বীয় অনুগ্রহের প্রাক্কালে সুসংবাদবাহীরুপে বায়ু প্রেরণ করেন এবং তিনিই আকাশ হতে বিশুদ্ধ পানি বর্ষণ করেন।”(আল-কুরআন,২৫ঃ৪৮)
(বৃষ্টির পানি পুরোপুরি বিশুদ্ধ তা ১৪ শত বছর আগের মানুষ জানতো না,অনেক সম্প্রদায় এটা নিয়ে নানা রকম কু-সংষ্কারে লিপ্ত ছিল। )

“ আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মৃত্তিকার উপাদান থেকে, অতঃপর আমি তাকে শুক্রবিন্দুরুপে স্থাপন করি এক নিরাপদ আধারে, অতঃপর সেই জন্ম বিন্দু থেকে সৃষ্টি করি জমাট রক্ত, জমাট রক্ত থেকে একটি আকারহীন পিন্ড তৈরী করেছি, পরে সেই পিন্ড থেকে হাড় সৃষ্টি করেছি এবং পরে সেই হাড়কে গোশত দ্বারা ঢেকে দিয়েছি। অতঃপর তা থেকে নতুন জীব সৃষ্টি করেছি। মহান সেই আল্লাহ যিনি সর্বশ্রেষ্ট সৃষ্টিকর্তা, এরপর একদিন তোমরা মৃত্যু বরণ করবে এবং আবার কেয়ামতের দিন অবশ্যই তোমরা পূণরুত্থিত হবে” (আল-কুরআন,২৩ঃ ১২-১৬)
(মাতৃ গর্ভে সন্তান কিভাবে বেড়ে এঠে সে বর্ণনা যে কোন চিকিৎসকের কাছ থেকে শুনে এ আয়াতের সাথে মিলিয়ে দেখা যেতে পারে,অবশ্য এখানে যে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে চিকিৎসা বিজ্ঞানিদের থেকে তা আরও অনেক দূর এগিয়ে,বিজ্ঞান যে পর্যন্ত জানে তার থেকেও পেছনের তথ্য এখানে লিপিবদ্ধ হয়েছে )
এ সমস্ত আয়াত ছাড়া আরও অনেক আয়াত আছে যে আয়াতের বক্তব্য তখনকার মানুষের জানা ছিলনা। এখানে অনেকগুলো আয়াতের মধ্যে থেকে যে আয়াতগুলো বর্ণিত হয়েছে সে সম্পর্কে বিজ্ঞান কিছুদিন আগে জেনেছে এবং এগুলো প্রমানিত সত্য। এ ছাড়া আরও অনেক দুর্বোধ্য আয়াত আছে সে সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন গবেষণাধর্মী মত আছে যা এখানে উল্লেখ করা হয়নি। কিছুদিন আগে নাসার বিজ্ঞানীরা হাবল টেলিস্কোপের মাধ্যমে মহাকাশের কোন একটি স্থানের(আমি নামটি ভুলে গেছি) ছবি তুলে তা গবেষণায় রত ছিল। তারা হাবল টেলিস্কোপের উক্ত ছবি থেকে গবেষণা করে বলেন-জিনিসটি হল- ধোয়ার আস্তরণ। কিন্তু নাসার মুসলিম বিজ্ঞানীরা(নাসার ৬০% বিজ্ঞানী’ই মুসলিম) চ্যালেঞ্জ করে বলেন-এটি হতেই পারে না,কারণ-আল কুরআনের একটি আয়াতে এ জিনিসটাকে ধুলার আস্তরণ বলা হয়েছে,অতএব এটি ধোয়া নয়,ধুলা। ফলে বিজ্ঞানীরা তখন আবার গবেষণা করেন,আরও ছবি তুলেন তখন প্রমানিত হয় যে,সেটি ধুলার আস্তরণ ছিল।(এ বিষয়ে আরও জানতে ব্রাউজ করুন-িি.িযধৎঁহুধযুধ.পড়স) তবে এ পর্যন্ত যা বলা হয়েছে,তাতে এ বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য যথেষ্ট যে, আলকুরআন কোন মানুষের সৃষ্টি নয়। আর সঙ্গত কারনেই তা নিরক্ষর মুহাম্মদ (সাঃ)এর পক্ষে তৈরী করা সম্ভব নয়। তাই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা -মুহাম্মদ(সাঃ)সম্পর্কে এবং অন্য বিষয়ে আল-কুরআনে যা বলেছেন তাই’ই সর্বশ্রেষ্ঠ সত্য। আসলে এটা না মেনে আর কোন উপায়ও নেই।

সমাপ্ত

এই ধারাবাহিক পোষ্ট টি পড়ে যদি আপনাদের মনে কোন প্রশ্ন জাগে তাহলে মন্তব্যে তা করুন………..

নবাগত রাহী

"ইসলামিকএমবিট (ডট) কম" একটি উন্মুক্ত ইসলামিক ব্লগিং প্লাটর্ফম। এখানে সকলেই নিজ নিজ ইসলামিক জ্ঞান নিয়ে আলোচনা করতে পারেন, তবে এখানে বিতর্কিত বিষয় গুলো allow করা হয় না। আমি এই ব্লগ সাইটটির সকল টেকনিক্যাল বিষয় গুলো দেখাশুনা করি। আপনাদের যে কোন প্রকার সাহায্য, জিজ্ঞাসা, মতামত থাকলে আমাকে মেইল করতে পারেন contact@islamicambit.com

Leave a Reply